কলকাতা 

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ১২০ পড়ুয়ার উত্তরপত্র উধাও, পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত! নির্বাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ!

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর পরীক্ষার উত্তরপত্র পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর পাওয়া গেছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র  উদ্ধৃত করে ডিজিটাল আনন্দবাজার লিখেছে, কমপক্ষে ১২০ জন পড়ুয়ার উত্তরপত্র হারিয়ে গেছে যার জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েছে এইসব পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ। ডিজিটাল আনন্দবাজার এর দাবি করেছে তারাই বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য শান্তা দত্ত রেজিস্ট্রার দেবাশীষ দাস ও পরীক্ষা নিয়ামক জয়ন্ত সিংহের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তারা নাকি ফোন ধরেননি।তবে এই প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘এই ঘটনা ঘটেছে পরীক্ষকদের গাফিলতির কারণে। উত্তরপত্র নিয়ে এতটা গা-ছাড়া মনোভাব দেখানো উচিত হয়নি। এতে পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়ে।’’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৯টি কলেজে বাংলা স্নাতকোত্তরের কোর্স পড়ানো হয়। গত এপ্রিল মাসে পরীক্ষা হয়েছিল। যে ১২০ জন পড়ুয়ার উত্তরপত্র খোয়া গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কলেজের ছাত্রছাত্রী। কলকাতার দু’টি কলেজের পড়ুয়ারাও রয়েছেন সেই তালিকায়। প্রত্যেকেই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সিন্ডিকেটের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাঁদের উত্তরপত্র হারিয়েছে, তাঁদের দু’টি বিকল্প দেওয়া হবে। প্রথম বিকল্প— ওই পড়ুয়ারা যদি চান, আবার পরীক্ষায় বসতে পারেন। দ্বিতীয় বিকল্প— তা‌ঁরা যদি নতুন করে পরীক্ষায় বসতে না চান, তবে প্রথম সেমিস্টারের যে বিষয় সবচেয়ে বেশি নম্বর থাকবে, তা সেই হারিয়ে যাওয়া খাতার নম্বর হিসাবে গণ্য হবে। যদিও এই সিদ্ধান্তে উপাচার্যের অনুমোদন মেলেনি।

উত্তরপত্র হারানোর বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক অভিরূপ দাস বলেন, ‘‘রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের নিয়োগ করা অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যস্ত। উনি ছাত্রছাত্রীদের কথা ভাববেন কখন? এই খাতা হারানোর নেপথ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় গাফিলতি রয়েছে। কলেজ খুললেই আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।’’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ