টেট পরীক্ষা দিনেই অব্যবস্থার অভিযোগে বিক্ষোভ পরীক্ষার্থীদের
বাংলার জনরব ডেস্ক : প্রাথমিক টেট পরীক্ষার দিনেই বোলপুরে বিক্ষোভ দেখাল পরীক্ষার্থীরা । তাঁদের অভিযোগ ছিল, কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার বন্দোবস্ত করে দেননি। ব্যাগ রাখার বিষয়ে কোনও রকম সহযোগিতাও করা হচ্ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। এতে ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা প্রার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। যার ফলে তাঁরা বেশ কিছু ক্ষণ পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে রাস্তা অবরোধ করে রাখেন।
টেটের জন্য হুগলি থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ, রাজ্যের নানা জেলায় সকাল থেকে পরীক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ করা গিয়েছে। স্টেশনগুলিতে রবিবার সকালে বাড়তি ভিড় দেখা গিয়েছে। বহরমপুর শহরে টেটের জন্য ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছে।
টেটে একই সমস্যার মুখে পড়েছেন কলকাতার পরীক্ষার্থীরাও। হিন্দু, হেয়ার, যাদবপুর বিদ্যাপীঠের মতো একাধিক স্কুলে পরীক্ষার্থীরা ব্যাগ রাখার জায়গা না পেয়ে হয়রানির শিকার হন। স্কুল বা বোর্ডের তরফে কারও ব্যাগের কোনও দায়িত্ব নেওয়া হয়নি। রবিবার সকাল সকাল ব্যাগ নিয়ে সমস্যা দেখা দেয় হিন্দু, হেয়ার, যাদবপুর বিদ্যাপীঠ, চেতলা বয়েজ, টাকি বয়েজ, টাকি গার্লস-সহ প্রায় সব পরীক্ষাকেন্দ্রেই। অভিযোগ, কোথাও কোথাও রাস্তার দোকানে পরীক্ষার্থীরা ব্যাগ রাখার সাময়িক ব্যবস্থা করে নেন। কোথাও স্কুলের মূল ফটকের বাইরে পুলিশের সামনে ব্যাগ রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকেন প্রার্থীরা। তবে পুলিশ কোনও দায়িত্ব নেয়নি।
এ ছাড়া, টেটকে কেন্দ্র করে জেলায় জেলায় নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে পরীক্ষা চলাকালীন ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
রাজ্যজুড়ে মোট ১ হাজার ৪৬০টি কেন্দ্রে টেটের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। পরীক্ষার্থীদের বায়োমেট্রিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকাল ১১টার মধ্যে সমস্ত পরীক্ষাকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এই প্রথম টেটের ওএমআর শিটের কার্বন কপি বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার সময় নজরদারির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

