কলকাতা 

সাত দিনের মধ্যে ভরতপুর থানার ওসিকে অপসারণ করতে হবে, তা না হলে ‘সোজা’ করে দিবেন তিনি নিজেই জানালেন স্থানীয় বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার ওসি রাজু মুখোপাধ্যায় কে ৭ দিনের মধ্যে সরাতে হবে বলে দাবি করলেন এলাকার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। একই সঙ্গে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কে শবরী রাজকুমার, ভরতপুরের ওসি রাজু মুখোপাধ্যায়, রেজিনগরের বিডিও অংশুমান দত্ত এবং ভরতপুর-১ ব্লকের বিডিও-র বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তিনি দরবার করবেন বলেও জানিয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর হুঁশিয়ারি, সাত দিনের মধ্যে বিষয়টির সুরাহা না হলে তিনি নিজেই জানাবেন, কী ভাবে এঁদের ‘সোজা করতে’ হয়।

গত শনিবার থানার পাশে একটি জমিতে নির্মাণ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভরতপুর। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হুমায়ুনের নেতৃত্বে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

এদিন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ভরতপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী যেমন বলেছিলেন, ‘আব কি বার দোশো পার’ তেমন ভাবে ভরতপুরের ওসি রাজু মুখোপাধ্যায়ও বলেছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। তৃতীয় বারের জন্য সরকার গড়তে পারবে না। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে। অনেক বার পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে। পুলিশ সুপার কোনও কর্ণপাত করেননি। বিডিওর বিরুদ্ধে আগের জেলাশাসককেও বলা হয়েছিল। উনিও কোনও কর্ণপাত করেননি। কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বাকি আমি যেখানে বসবাস করি সেই রেজিনগরের বিডিও অংশুমান দত্ত, তাঁর মালদহে বাড়ি, এমন ভাবে বিডিওগিরি করেন যেন উনি স্থানীয় কোনও মস্তান। আমি বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছি। সাত দিনের মধ্যে সুরাহা না হলে আমিই খোলাখুলি জানাব কী করে এদের সোজা করতে হয়।’’

কলকাতা থেকে প্রকাশিত ডিজিটাল আনন্দবাজারকে হুমায়ুন  বলেন, ‘‘এ সবটাই হচ্ছে মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কে শবরী রাজকুমারের অঙ্গুলিহেলনে। বিগত বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে যে পুলিশকর্মীরা সাহায্য করেছিলেন পুলিশ সুপার তাঁদের সঙ্গে নিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে চাইছেন। আমি আজ বিধানসভায় যাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে, এখানকার পুলিশের অভব্য আচরণ সম্পর্কে জানাব। এক জন শাসকদলের বিধায়ককে কী ভাবে এক জন ওসি এড়িয়ে যাওয়ার সাহস দেখান তার শেষ দেখে ছাড়ব।’’

 

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ