প্রচ্ছদ 

SSC: এসএসসির আরও একটি মামলা ছাড়লেন বিচারপতি মান্থা, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যয়ের বেঞ্চেই শুনানি

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : এস এস সি মামলা ছেড়ে দিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।

আজ শুক্রবার আদলতের নির্দেশে হাই কোর্টে সশরীরে হাজির হন এস এসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বিচারপতি মান্থা তাকে প্রশ্ন করেন , ‘‘কমিশনের কী সমস্যা আদালতের নির্দেশ মানতে? তথ্য পাওয়ার আর কোনও পথ আছে?’’ জবাবে সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, ‘‘আমাদের টেকনিক্যাল অফিসার সিবিআইকে সাহায্য করছেন। তাঁরা এ সব বিষয়ে অবগত নন। কিছু সময় লাগবে।’’

Advertisement

এর পরই বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় কিছু মামলা শুনছেন। আমি একটা অর্ডার দিচ্ছি, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় একটা নির্দেশ দিচ্ছেন। এটা ক্ল্যাশ করছে। মূল সিবিআই মামলাটি ওঁর কাছে আছে। কিন্তু বাকি মামলা আমার শুনতে অসুবিধা নেই। আদালত ইমোশন নিয়ে চলে না। ফ্যাক্ট দেখে চলে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এই সংক্রান্ত মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় শুনছেন। ফলে এতে আমি আর ঢুকতে চাই না। মামলাটি ছেড়ে দেব। আমার মনে হয় তাঁরই মামলাটি শোনা উচিত। তবে প্রধান বিচারপতিকে এটা জানিয়ে দেব। যোগ্য ব্যক্তিরা চাকরি পান। আর দোষী ব্যক্তিরা শাস্তি পাক। আমি মামলাটি ছেড়ে দিছি।’’

নির্দেশ মানতে এসএসসি কেন এত উদাসীন? আদালতের প্রশ্নে চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘বিশাল নথির পাহাড়। সেখান থেকে নথি পাওয়ার সুযোগ নেই। সফট কপি না পেলে এত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। দুটো ডেটা রুম সিবিআই হেফাজতে রয়েছে। একটা কম্পিউটার গোলমাল করছে। সিবিআই রোজ কাজ করছে। নথি সংগ্রহ করছে। সেটা কতটা সিরিয়াস বলতে পারব না। ফলে তথ্য দিতে সময় লাগবে।’’

বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘সিবিআই সংক্রান্ত মামলা বা এক জনকে বঞ্চিত করে আর এক জনকে চাকরি দেওয়ার মতো ঘটনাগুলি এই কোর্ট কিছু করবে না। কারণ এই ব্যাপারে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আগেই কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে এখন সেই সংক্রান্ত অন্য মামলাতেও যদি ভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হয়, সেটা বিভ্রান্তির হতে পারে।’’

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, সিদ্ধার্থ মজুমদার হাজির হয়ে সার্ভার রুম নিয়ে আদালতকে তথ্য দিন। আপাতত সার্ভার রুম না খোলা পর্যন্ত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মামলায় বিচারপতি রাজশেখর মান্থা কিছু করবেন না। মামলাকারীদের আইনজীবী সুভাষ জানা আদালতকে জানান, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলাগুলি অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। তার সঙ্গে এই মামলা জুড়ে দিলে ক্ষতি হতে পারে। সেপ্টেম্বরে মামলার পরবর্তী শুনানি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ