দেশ 

জামুইয়ে কিশোরীর শ্লীলতাহানি : ১২০টি সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের!

শেয়ার করুন

বিহারের জামুইয়ে কিশোরীর শ্লীলতাহানি এবং হেনস্থার ঘটনায় ১২০টি সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল পুলিশ। শুধু তা-ই নয়, ওই ঘটনার ভিডিয়ো যাতে ছড়ানো না হয় এবং আক্রান্তদের পরিচয় যাতে প্রকাশ না করা হয়, সেই সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। এই ধরনের কাজ করলে পকসো এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হবে।

নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে বিহার পুলিশ জানায়, ‘‘জনসাধারণের কাছে আবেদন করা হচ্ছে জামুইয়ের ঘটনায় আক্রান্ত কিশোর-কিশোরীদের ছবি বা ভিডিয়ো প্রকাশ করবেন না। তাদের পরিচয় প্রকাশ করলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’ তারা আরও জানিয়েছে, পকসো আইনের ২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী নাবালক বা নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করা নিষিদ্ধ। এই আইন ভাঙলে অভিযুক্তের ৬ মাস থেকে ১ বছর জেল হতে পারে। জরিমানা করা হতে পারে। অথবা দুটোই হতে পারে।

বিহার পুলিশের তরফে তাই এই আইন এবং শাস্তির বিষয় স্মরণ করিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এক পুলিশ আধিকারিকের কথায়, ‘‘ওই কিশোর-কিশোরীর নাম, ছবি এবং পরিচয় বা এই ধরনের কোনও তথ্য যেন সমাজমাধ্যমে প্রকাশ না করা হয়। তা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।’’

উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬-৭টার মধ্যে শ্লীলতাহানির ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, এক কিশোর এবং কিশোরী ওই দিন টিউশন শেষে স্কুটার নিয়ে স্থানীয় মারওয়া পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে তাদের পথ আটকে দাঁড়ায় একদল যুবক। প্রথমে তাদের নানা রকম প্রশ্ন করা হয়। তার পর শুরু হয় মারধর। কাকুতিমিনতি করেও ছাড় পায়নি ওই কিশোর-কিশোরী। অভিযোগ ওঠে, মারধরের পাশাপাশি কিশোরীর শ্লীলতাহানি করেন ওই যুবকেরা। সেই ঘটনার ভিডিয়ো এবং ছবি সমাজমাধ্যমে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ