কলকাতা 

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক কার ! ঝুলে রইল সিদ্ধান্ত?

শেয়ার করুন

নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি। আর তাতে নন্দীগ্রাম, রেজিনগর উপনির্বাচনে প্রার্থীদের ভবিষ্যৎও ঝুলে রইল। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামের দুই তৃণমূলের প্রার্থীদের মনোনয়ন স্ক্রুটিনিতে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসার এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। কালীঘাট তৃণমূলের সঞ্চিতা প্রধান দে নাকি ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এহতেশামুল হক – কে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে লড়বেন? তার নিষ্পত্তি হতে পারে শুক্রবার। কিন্তু প্রশ্ন থাকছে, নির্বাচন কমিশনের আগে কি রিটার্নিং অফিসার এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন? দু’পক্ষেরই দাবি, তাঁরাই পাবেন ঘাসফুল প্রতীক।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক-যুদ্ধ বেশ কয়েকমাস ধরেই চলছে। দফায় দফায় দু’পক্ষের কাছ থেকে একাধিক নথিপত্র নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কালীঘাট ও ঋতব্রত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা কমিশনের দপ্তরে গিয়ে কথাবার্তাও বলেছেন। আজ, বৃহস্পতিবারও তাঁদের ডেকে পাঠিয়ে আলোচনা সেরেছেন কমিশনের কর্তারা। কিন্তু আজও কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

কমিশনের অফিস থেকে বেরিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘যতরকম নথিপত্র চেয়েছিল কমিশন, আমরা সব পেশ করেছি। সামনে উপনির্বাচন। আশা করি, তার আগে আমাদের প্রতীক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমরাই প্রতীক পাব।” অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূলের তরফে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পালটা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘ওদের (ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়) দাবি, প্রতীক সংক্রান্ত যাবতীয় মালিকানা নাকি ২০২৫ সালে শেষ হয়ে গিয়েছে। তাহলে আমরা প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে ওরাই বা কীভাবে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়বে? কমিশন এখনও কিছু জানাচ্ছে না। তবে প্রতীক আমরাই পাব।”

জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ শনিবারের মধ্যে প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। যদি তা না হয়, তাহলে স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী ঘাসফুল প্রতীকের মালিকানা থাকবে কালীঘাট তৃণমূলের হাতে। সেক্ষেত্রে ঋতব্রতপন্থী প্রার্থীদের নির্দলের হয়ে লড়তে হবে। এবার দেখার বিষয় একটাই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতীক নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে কমিশন তার নিষ্পত্তি করে কি না।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ