জেলা 

শ্রীরামপুরে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বিএলওর!

শেয়ার করুন

শ্রীরামপুরে লঞ্চ থেকে শনিবার মাঝগঙ্গায় ঝাঁপ দিলেন বিএলও। ফেরিঘাটের কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করেন। তার পরে বিএলও মহম্মদ কায়ামুদ্দিনের দাবি, রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজের চাপ সামলাতে পারছিলেন না। তাই এই পদক্ষেপ করেছেন। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শনিবার সকালে হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ফেরিঘাটে যাচ্ছিল। বেলা সারে ১১টা নাগাদ এক যাত্রী মাঝগঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ দেন। লঞ্চে থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কায়ামুদ্দিন কাঁচরাপাড়ার একটি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক। বিএলও হিসাবে কাজ করছিলেন। তাঁর বুথে ১,২৪৫ জন ভোটার রয়েছেন।

Advertisement

এসআইআরের নথিভর্তি ব্যাগ, মোবাইল লঞ্চে রেখে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন কায়ামুদ্দিন। ওই শিক্ষকের দাবি, তিনি চাপ নিতে পারছিলেন না। নথি ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে তাঁর সমস্যা হচ্ছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। দিনের পর দিন তাঁকে এসআইআরের কাজ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে।

ফেরিঘাট কর্মী বাবলু বলেন, ‘‘হঠাৎ গঙ্গায় ঝাঁপ দেন ওই যাত্রী। আমরা তাঁকে উদ্ধার করি।’’ শ্রীরামপুর পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্রীরামপুর শহর তৃণমূল সভাপতি সন্তোষকুমার সিংহ জানান, তাড়াহুড়ো করে এসআইআর করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন মানুষকে হয়রান করছে। অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কায়ামুদ্দিন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অত সমর্থ নন। তাঁকে সেই কাজ করতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বহু ভোটারের ম্যাপিং হয়ে থাকা সত্ত্বেও তাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। মানসিক অবসাদে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বিএলও। এর দায় বিজেপির। তারা চাইছে এসআইআর করে রাজ্য দখল করবে। মানুষ এর জবাব দেবে নির্বাচনে।

সৌজন্যে ডিজিটাল আনন্দবাজার


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ