শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে বাড়তি নজর কমিশনের, এসআইআর দেখতে পর্যবেক্ষক
রাজ্যজুড়ে চলছে এসআইআর। সর্বত্র ঠিক মতো কাজ হচ্ছে কি না, সেদিকে কড়া নজর রয়েছে কমিশনের। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামে বাড়তি নজর নির্বাচন কমিশনের। নন্দীগ্রাম ও তার পার্শ্ববর্তী রামনগরের জন্য পাঠানো হয়েছে ২ বিশেষ অবর্জারভারকে। আজই নন্দীগ্রাম বিধানসভার ইআরও-এর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “একজায়গার বাসিন্দা হয়ে অন্য জায়গার ভোটার তালিকায় নাম তুললে কমিশন তো লোক তো পাঠাবেই।”
ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ভোটার তালিকা ত্রুটিভুক্ত করতে রাজ্যজুড়ে চলছে এসআইআর। কাজে যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে তা নিশ্চিত করতে বারবার বৈঠক করছে কমিশন। বাংলা-সহ যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর হচ্ছে সেখানে অবর্জাভার পাঠানো হচ্ছে। তাঁরা খতিয়ে দেখছে পরিস্থিতি। কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে বুধবার বাংলায় এসে পৌঁছেছেন কমিশনের পাঁচজন স্পেশাল অবজার্ভার। তাঁদের মধ্যে দুজন নন্দীগ্রাম ও রামনগরের জন্য। কমিশন সূত্রে খবর, বুধবার ২১০ নন্দীগ্রাম বিধানসভার ইআরও-এর সঙ্গে বৈঠক করেন অবর্জাভার। আগামিকাল রামনগরের ইআরও-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অপর অবর্জাভার। কীভাবে কাজ এগোচ্ছে, কোথায় সমস্যা, সবটা শুনবেন তাঁরা।

রাজ্যে এসআইআর ঘোষণার দিনই জাতীয় নির্বাচন কমিশনার সাফ জানিয়েছিলেন, স্বচ্ছভাবে ভোটার তালিকা তৈরিই লক্ষ্য। কাজ শুরুর পরও বারবার তা বুঝিয়ে দিয়েছেন কমিশনের প্রতিনিধিরা। যা চাপ বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসনের উপর। তবে কমিশনের এই ভূমিকায় খুশি শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “বকুলতলা হাওড়াতে থাকেন, আর নাম তুলেছেন নন্দীগ্রামে। থাকেন দিল্লিতে আর নাম তুলেছেন নন্দীগ্রামে। এসব থাকলে তো কমিশন লোক পাঠাবেই।” প্রসঙ্গত, রাজ্যে এসআইআর ঘোষণার পরই শুভেন্দু দাবি করেছিলেন বিপুল সংখ্যার ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে।

