ভালোভাবে বড় করার লক্ষ্যেই এনেছিলাম, শিশু অপহরণ কান্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সাফাই অধ্যাধিকার
দমদম থানার সিঁথি থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করা হল কসবার একটি ফ্ল্যাট থেকে। আর এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার এক অধ্যাপিকা-সহ তিনজন। শিশু অপহরণ কাণ্ডের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপিকা-যোগের বিষয়টি বিস্মিত করেছে তদন্তকারীদেরও। যদিও অধ্যাপিকার সাফাই, ফুটপাতের শিশুদের তিনি এভাবেই নিজের কাছে নিয়ে যান, তাদের ভালোভাবে বড় করার জন্য। অর্থাৎ তাঁর দাবি যে এই অপহরণের পিছনে উদ্দেশ্য মহৎ। তাঁর এহেন দাবি আদৌ কতটা সত্যি, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, দিন তিনেক আগে সিঁথি এলাকার এক বাসিন্দা অভিযোগ জানান, তাঁর ৫ বছরের মেয়ে নিখোঁজ। আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে মেয়ে খেলার সময় কেউ বা কারা তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পান, কসবা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে কোনও শিশুকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। উদ্ধার হয় ৫ বছরের ওই শিশু। গ্রেফতার হয় তিন জন।

পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অরুণিমা চন্দর দাবি, তিনি ফুটপাতের শিশুদের ভালোভাবে বড় করার জন্য নিজের কাছে নিয়ে আসেন। একই কারণে সিঁথির বছর পাঁচেকের শিশুকেও নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। তাকে তিনি বন্দি করে রাখেননি, অত্যাচারও করেননি। শিশুর ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁর এসব দাবি সত্যতা কতটা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

