দেশের সবচেয়ে দরিদ্রতম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সবচেয়ে ধনী কে?
বাংলার জনরব ডেস্ক : দেশের মধ্যে সবচেয়ে গরিব মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা।যার পুরোটাই নগদ, জমার মতো অস্থাবর সম্পত্তি। জমি, বাড়ির মতো স্থাবর সম্পত্তি তাঁর নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই সাদামাটা জীবনযাপন পছন্দ করেন। বেতন নেন না। সাংসদ পদের জন্য প্রাপ্ত পেনশনও নেন না। নিজের বই বিক্রি এবং গানের রয়্যালটি বিক্রিই তাঁর রোজগারের উৎস।
অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্ম (এডিআর)-এর সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এসেছে। এ বারেই অবশ্য প্রথম নয়, এর আগে গতবছরের শেষদিকে প্রকাশিত এডিআর রিপোর্টেও দেশের দ্ররিদ্রতম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মমতাই। দেশের বর্তমান ৩০ জন মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে মমতা ও জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ছাড়া বাকি সবাই কোটিপতি। ওমরের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৫৫.২০ লক্ষ টাকা।

দেশের সব থেকে ধনী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে রিপোর্টে উঠে এসেছে অন্ধ্রপ্রদেশের এন চন্দ্রবাবু নায়ডুর নাম। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৯৩১ কোটি টাকা। দেশের ৩০ জন মুখ্যমন্ত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। যার ৫৭ শতাংশই রয়েছে নায়ডুর কাছে। ধনী মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খান্ডু। মোট ৩৩২ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া রয়েছেন। তাঁর একার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৫২ কোটি টাকা।
এই সমস্ত তথ্য দেশের মুখ্যমন্ত্রীরা নিজেদের রাজ্যের গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে হলফনামা দাখিল করেছিলেন তার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ভবানীপুর উপনির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার উপর ভিত্তি করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

