উত্তর ২৪ পরগনার খড়িবাড়িতে যুবককে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগে রাতভোর বিক্ষোভ!
বাংলার জনরব ডেস্ক : উত্তর ২৪ পরগনার খড়িবাড়িতে যুবককে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসনে। পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলেও থানা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, দাবি মৃতের আত্মীয়দের। রবিবার রাত পর্যন্ত মৃতদেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়েরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আহত হয়েছেন থানার আইসি-সহ পাঁচ পুলিশকর্মী।
অভিযোগ, এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল যুবকের। সম্পর্কের অবনতি হওয়ার কারণে তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। তার পর দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়িতেই। যুবকের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনায় পুলিশের দ্বারস্থ হলে থানা থেকে জানানো হয়, যুবক আত্মহত্যা করেছেন। এর পরেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

শাসন থানার অন্তর্গত মহিষগদি সাহাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলামিন সাহাজি। রবিবার বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বছর খানেক ধরে এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন আলামিন। সম্প্রতি সেই সম্পর্কের অবনতি হয়। সেই কারণেই তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে, দাবি মৃতের পরিবারের। দেহ উদ্ধারের পর শাসন থানায় অভিযোগ জানাতে যান পরিবারের সদস্যেরা। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি। তারা জানায়, যুবক আত্মহত্যা করেছেন। এর পরেই মৃতদেহের রেখে বিক্ষোভ শুরু হয়।
মৃতের পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘‘ছেলেটাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। থানায় গেলে বলছে, আত্মহত্যা করেছে! ওর শরীরে একাধিক জায়গায় ক্ষত রয়েছে। এক মহিলার সঙ্গে ওর সম্পর্ক ছিল। সে-ই এ সব করিয়েছে। মহিলা হাসপাতালে গিয়েছিল। সেখান থেকে তাকে পুলিশ সরিয়ে দিয়েছে। ওরাই পুলিশের সঙ্গে মিলেমিশে আত্মহত্যার মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।’’

