কলকাতা 

সোমেন মিত্রের নেতৃত্বে বাংলার সংখ্যালঘু সমাজে কংগ্রেসের আস্থা ফিরছে ; তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের নেতা যোগ দিলেন কংগ্রেসে

শেয়ার করুন
  • 1.5K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সেখ ইবাদুল ইসলাম :  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার আগে থেকেই আমরা বলে আসছিলাম একমাত্র সোমেন মিত্রই পারেন বাংলার কংগ্রেসকে উজ্জীবিত করতে । শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধী সোমেন মিত্রকেই প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্ব দিয়েছেন । দায়িত্ব পাওয়ার পরই দেখা গেল বিধানভবন এখন ভিড়ে ঠাসা । সময়ের বিচারে মাত্র তিন মাস তিনি প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছেন । এর মধ্যেই তিনি সিপিএমের প্রাক্তন সংখ্যালঘু মন্ত্রী আবদুস সাত্তারকে কংগ্রেসে এনেছেন। আবদুস সাত্তার যোগ দেওয়ার পরেই বাংলা জুড়ে সংখ্যালঘু সমাজে ব্যাপক প্রভাব পড়ে । মূর্শিদাবাদ মালদহতে প্রতিদিনই তৃণমূল কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন । আসলে সোমেন মিত্রের প্রতি বাংলার সংখ্যালঘু সমাজের বিশ্বাস আছে ; আস্থা আছে । সেই বিশ্বাস ও আস্থারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে রাজ্য জুড়ে ।

তাই তো বৃহস্পতিবার বিধান ভবনে বসে সোমেন মিত্র বলে দিলেন কংগ্রেসেকে ভেঙেছে তৃণমূল এবার তৃণমূলকে ভাঙবে কংগ্রেস । তিনি খানিকটা চ্যালেঞ্জের সুরে বললেন তৃণমূলের অনেক নেতা যোগাযোগ করছেন । সাংবাদিকদের বললেন , অপেক্ষা করুন দেখতে পাবেন । একদিন তৃণমূল কংগ্রেসকে ভেঙেছে এবার তৃণমুল ভাঙবে । আসলে বৃহস্পতিবার বিধানভবনে এক ঝাঁক সংখ্যালঘু নেতা ও কর্মী কংগ্রেসে যোগ দিলেন ।

এই উপলক্ষেই আজ বিধানভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সোমেন মিত্র । এদিন বিধানভবনে তৃণমূল, বিজেপি, পিডিসিআই ও ইউডিএফ থেকে প্রায় ২ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দিলেন কংগ্রেসে। বৃহস্পতিবার তাঁদের হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।

এর পাশাপাশি এদিন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের নেতা শাকিল আনসারির নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন তৃণমূল নেতা কর্মী কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন । প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র আশা প্রকাশ করেছেন এদের যোগদানে কংগ্রেস দল আরও শক্তিশালী হবে । সদ্য কংগ্রেসে যোগ দেওয়া তৃণমূল নেতা শাকিল আনসারি বলেন, যে প্রত্যাশা নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলের নেতৃত্বে পালাবদল ঘটেছিল তার কোনটাই পূরণ হয়নি। উল্টে রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস কায়েম হয়েছে। মানুষ তো বটেই রাজ্যের সংখ্যালঘু সমাজের উন্নয়নেও এই সরকার কিছু করেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন।


শেয়ার করুন
  • 1.5K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment