কলকাতা 

খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিরুদ্ধে ১৫২ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ শুক্রবার তিনি অভিযোগ করেন ১৫২ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী গ্রিভান্স সেলের টেন্ডার দেওয়াকে কেন্দ্র করে।

এ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালকে নালিশ করেছেন বলে জানা গেছে।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ‘১৫২ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। আইপ্যাককে (I-PAC) ১৫২ কোটি টাকা পাইয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। এটা প্রমাণিত চুরি, সব তথ্যপ্রমাণ আছে। জনগণের করের টাকা কারচুপি হয়েছে। এই ১৫২ কোটি টাকা তৃণমূলের কাছ গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গকে ধ্বংসের জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। এই নিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে নথি চেয়ে পাঠানো উচিত রাজ্যপালের। ইডি বা আয়কর দফতরকে নিয়ে তদন্ত করানো হোক। চাইলে আদালত কোনও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাতে পারে’।

Advertisement

সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য সরকার ও আইপ্যাকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শানান শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘পরিকাঠামো তৈরির জন্য তথ্যপ্রযুক্তি দফতরকে টেন্ডার দেওয়া হয়। কয়েকটি সংস্থা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। দিল্লির একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই সংস্থার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সও করে ফেলেন তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিকরা। সমান্তরালভাবে সরকার চালাচ্ছে আইপ্যাক। আইপ্যাকের পছন্দের সংস্থাকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়। ওয়েবেলের থেকে নিয়ে ডব্লুটিএলকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়’।

শুভেন্দুর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভেন্স সেল, সিএমও, মুখ্যমন্ত্রীকে বলো- বলে একটা কর্মসূচি লঞ্চ হয়েছে আপনারা জানেন। এই কর্মসূচি সহ মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভেন্স সেলে জনগণের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে করার সিদ্ধান্ত নেওযায় হয়েছে। তা কার্যকর করার আগে পরিকাঠামোগত ও ম্যান পাওয়ার, যা দরকার তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরকে একটি টেন্ডার ডকুমেন্ট বানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় ২২ সালে। সেই টেন্ডার ডাকা থেকে শুরু করে গোটা প্রক্রিয়ার মাঝে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।

বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগ সামনে আসার রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মনে করা হচ্ছে এই ১৫২ কোটি দুর্নীতি নিয়ে এবার বিজেপি সহ রাজ্যের সব বিরোধী দল রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে পারেন। একই সঙ্গে আদালতের শরণাপন্ন হলে শেষ পর্যন্ত মামলা কোন দিকে গড়ায় সেদিকেই তাকিয়ে থাকবে রাজ্যের সাধারণ মানুষ।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ