HS Result 2023: প্রকাশিত হলো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, প্রথম স্থানে নরেন্দ্রপুরের শুভ্রাংশু সর্দার, দ্বিতীয় স্থানে বাঁকুড়ার সুষমা খান, উত্তর দিনাজপুরের আবু সামা, এক নজরে প্রথম দশের মেধা তালিকা
বাংলার জনরব ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ২০২৩ এ রেজাল্ট প্রকাশিত হল। আজ বুধবার সকাল দশটায় এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। যদিও ছাত্র-ছাত্রীরা আগামী ৩১শে মে মার্কশিট ও সার্টিফিকেট পাবে। তবে আজ থেকেই ওয়েবসাইটে রেজাল্ট জানতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। এ বছরও পাশের হারে নিরিখে পূর্ব মেদিনীপুর প্রথম হয়েছে আর দশম স্থানে রয়েছে কলকাতা। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশের হার ৯৫.৭৫ শতাংশ।
এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয় ১৪ই মার্চ থেকে শেষ হয় ২৭ শে মার্চ। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৪৪ জন। কিন্তু পরীক্ষা দিয়েছিল ৮ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৯১ জন। এবছর যারা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়নি। সুতরাং এবছরই ছিল তাদের জীবনের প্রথম পরীক্ষা।

জীবনের প্রথম পরীক্ষাতে এবার পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৮৯.২৫ শতাংশ। পাশের সংখ্যা সাত লক্ষ ৩৭ হাজার ৮০৭ জন। মোট ৬০টি বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছিল।

ছেলেদের পাশের হার ৯১.৮৬ শতাংশ। মেয়েদের মধ্যে পাশ করেছেন ৮৭.২৬ শতাংশ। এবার মেধাতালিকার প্রথম দশে রয়েছেন ৮৭ জন পরীক্ষার্থী।
এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান দখল করেছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র শুভ্রাংশু সর্দার, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৯৬।
দ্বিতীয় স্থানে দু’জন।
বাঁকুড়ার সুষমা খান এবং উত্তর দিনাজপুরের আবু সামা।
তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫ (৯৯%)।
তৃতীয় স্থান দখল করেছেন চারজন।
চন্দ্রবিন্দু মাইতি (তমলুক),
অনুসূয়া সাহা (বালুরঘাট),
পিয়ালী দাস (আলিপুরপদুয়ার),
শ্রেয়া মল্লিক (বালুরঘাট)। তৃতীয় স্থানে চারজন ঠাঁই পেয়েছেন।
৪৯৩ নম্বর পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন :
শ্রীজিতা বসাক (দক্ষিণ দিনাজপুর),
নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (নরেন্দ্রপুর),
প্রেরণা পাল (উত্তর ২৪ পরগনা)। চতুর্থ স্থানে তিনজন ঠাই পেয়েছেন।
পঞ্চম স্থানাধিকারীরা পেয়েছেন ৪৯২ নম্বর।
এই স্থানে রয়েছেন কৌস্তভ কুণ্ডু (হুগলি),
ঋষিতা সিনহা মহাপাত্র (বোলপুর),
দীপ্তার্ঘ্য দাস (পূর্ব মেদিনীপুর),
অঙ্কিতা ঘড়াই (পুরুলিয়া)। পঞ্চম স্থানের চারজন ঠাঁই পেয়েছেন।
৪৯১ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ স্থান দখল করেছেন :
চয়ন বর্মন,অংকুর রায়, অর্কদীপ ঘড়া, তমাল কান্তি দাস, সোমা জানা, সোহম চ্যাটার্জি, রুপসা উপাধ্যায়, অদিতি মহান্তি, সুপর্ণা মাহাতো, উৎসা কুন্ডু, সৌমিলি, সাহেলী আহমেদ। ষষ্ঠ স্থানে মোট ১২ জন ঠাঁই পেয়েছেন।
৪৯০ নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থান দখল করেছেন:
সন্দীপ ঘোষ, দেবর্ষি বসাক, বিধান শাসমল, অর্ক ঘোষ,অভিরুপ পাল, শ্রীজা উপাধ্যায়, সুনীত মুখার্জি, রূপঙ্কর ঘটক, কৌশিকী কুন্ডু সৌজাতা মুখোপাধ্যায়, শরণ ঘোষ, অর্ণব পতি, অস্মিতা পাল, অভিজিৎ পাল। সপ্তম স্থানে মোট ১৪ জন ঠাঁই পেয়েছেন।
৪৮৯ নম্বর পেয়ে অষ্টম স্থান দখল করেছেন :
শ্রীতমা মিস্ত্রি, সৈয়দ সাকলাইন কবীর, সায়ন প্রধান, সংযুক্তা বিশ্বাস , শ্রেষ্ঠা অধিকারী, সন্দীপ ভট্টাচার্য, অদ্বিতীয় সিনহা, ঈশিতা সেন, শিরিন আলম, সপ্তক দাস, আত্রেয়ী সাহানা। অষ্টম স্থানে মোট ১১ জন ঠাই পেয়েছেন।
৪৮৮ নম্বর পেয়ে নবম স্থান দখল করেছেন:
দেবাঙ্গনা দাস, প্রণব বর্মন, বৃষ্টি মাইতি, আমজাদ হোসেন, অর্ক দাস সায়ন প্রতীপ দে, পবিত্র মাইতি, তুহিন রঞ্জন অধিকারী, ঋষিকা কর্মকার, অথেনা বসূ, সুপ্রভাত ঘোষ, সুজিত পাল, মোনালিসা পাল, অপূর্ব মন্ডল, সায়ন্তনী দে, সৌরশ্মী দাস, প্রত্যুষা দাম। নবম স্থানে মোট ১৮ জন মেধা তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন।
৪৮৭ নম্বর পেয়ে দশম স্থান দখল করেছেন:
আর্য নন্দী, স্বাগতা চক্রবর্তী, সুস্মিতা মোদক, সময়ীতা দাশগুপ্ত, সুচেতনা জানা, বিক্রম বর্মন, শেখ সাইফুদ্দিন আহমেদ, সৌম্যদীপ দত্ত, কোয়েল কুন্ডু, আঞ্জুমা দিলরুবা, দিনান্ত সাঁতরা, শেখ আব্দুল রাজ্জাক, অগ্নিবা মুখার্জি, সুদীপ পাল, মল্লিকা দেবনাথ, সায়ন্তন সরকার, তৃণা পুরকায়স্থ। দশম স্থানে মোট ১৭ জন মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছেন।
এবছর মেধা তালিকায় ৮৭ জনের মধ্যে ৮ জন সংখ্যালঘু পরিবারের ছেলেমেয়ে। অর্থাৎ প্রথম দশে ৮ জন সংখ্যালঘু পরিবারের ছেলেমেয়ে সুযোগ পেয়েছে। আর প্রথম দশের মধ্যে ১৮ জন হুগলি জেলার ছেলে-মেয়ে ।
এদিকে, উর্দু ভাষায় প্রথম হয়েছেন মহম্মদ আসান (৪৮৬), নেপালি ভাষায় প্রথম কালিম্পংয়ের স্নেহা (৪৬৫)। সাঁওতালি ভাষায় প্রথম তিনজন হলেন বিবেক সোরেন (বাঁকুড়া), মৌসুমী টুডু (ঝাড়গ্রাম) এবং সরস্বতী বাসকে (ঝাড়গ্রাম)। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৭২।
আগামী ৩১ মে স্কুল থেকে শংসাপত্রের প্রতিলিপি দেওয়া হবে। পাশাপাশি স্ক্রুটিনির জন্য অনলাইনে অফিশিয়াল সাইটে ৩১ মে রাত থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

