Primary Teacher Recruitment Scam : মানিক ভট্টাচার্যের দুটি বৈধ পাসপোর্ট ! সিবিআইয়ের রিপোর্ট শুনে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বললেন ”ছি! ছিঃ! ছিঃ!” কেন এরূপ বললেন বিচারপতি? জানতে হলে ক্লিক করুন
বাংলার জনরব ডেস্ক :প্রাথমিকে সিবিআই তদন্তের প্রেক্ষিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য, ”ছি! ছিঃ! ছিঃ!” প্রাথমিক দুর্নীতিতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্যের দুটি বৈধ পাসপোর্ট রয়েছে। আদালতে জানাল সিবিআই। এটা কী করে সম্ভব? প্রশ্ন বিচারপতির। ছি! ছিঃ! ছিঃ। এটা কী হচ্ছে!” এরপরই আদালতে সিবিআই জানায়, ”আমরা কিছু এসএমএস উদ্ধার করতে পেরেছি। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কিছু সূত্র আমরা পেয়েছি মানিক ভট্টাচার্যর কাছ থেকে।”
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সংযোজন, ”কতবার লন্ডনে গেছেন মানিক ভট্টাচার্য ? তার বাড়ির ঠিকানা জানেন ? আমি বলতে পারি, শুনবেন? লন্ডনে তার বাড়ির পাশে কার বাড়ি জানেন? আমি জানি।” যদিও এরপরই সিবিআই জানায়, ”তিন সপ্তাহ পরে আমরা রিপোর্ট পেশ করব। তারপরে তদন্তকারী আধিকারিক সোমনাথ বিশ্বাসকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।” যদিও বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, ”না, নির্দেশে পরিবর্তন হবে না।”

আদালতের নির্দেশ মোতাবেক বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে তিন জন আধিকারিকের নাম জমা দেয় সিবিআই। কিছুদিন পরে নতুন তদন্তকারী আধিকারিকের নাম জানাবে আদালত। হেফাজতে থাকা একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির দুটি বৈধ পাসপোর্ট রয়েছে। আদালতে জানাল সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থা জানায়, ”আমরা কিছু এসএমএস উদ্ধার করতে পেরেছি। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কিছু সূত্র আমরা পেয়েছি মানিক ভট্টাচার্যর কাছ থেকে।” বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ”কার পাসপোর্ট আছে? মানিক ভট্টাচার্যর?” সিবিআই জানায়, ”হ্যাঁ, মানিক ভট্টাচার্যর।”
”কতবার লন্ডনে গেছেন মানিক ? তার বাড়ির ঠিকানা জানেন ? আমি বলতে পারি, শুনবেন ? লন্ডনে তার বাড়ির পাশে কার বাড়ি জানেন ? আমি জানি। এমনই মন্তব্য বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। এটাই তো আমি আগে বলেছি। সব তদন্ত আমি করলে তদন্তকারী আধিকারিক সোমনাথ বিশ্বাস কী করেছেন?”

