কলকাতা 

Calcutta High Court: নিয়োগপত্রের তথ্য নেই ডিআই এর কাছে অথচ তিন বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন ভুয়ো শিক্ষক বিস্মিত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু, সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ, ২০১৬ এর পর থেকে যত শিক্ষক নিয়োগ হয়েছেন সকলের তথ্য যাচাই করার কথা বললো কলকাতা হাইকোর্ট

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক :প্রধান শিক্ষক বাবার স্কুলে জালিয়াতি করে চাকরি পেয়েছে পুত্র তারপর কেটে গেছে তিন বছর। বেতন পেয়েছেন,চাকরির অ্যাপ্রুভাল হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন  কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তাঁর প্রশ্ন, তিন বছর ধরে ওই ‘শিক্ষক’ বেতন পাচ্ছেন, অথচ তাঁকে যে নিয়োগপত্রই দেওয়া হয়নি, তা জানেন না জেলা স্কুল পরিদর্শক? বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে সিআইডিকে মামলাটির তদন্ত ভার দিয়েছেন বিচারপতি বসু। সেই সঙ্গে বলেছেন, আরও এমন নিয়োগ জালিয়াতি হয়ে থাকতে পারে। তারও তদন্ত হওয়া উচিত।

বুধবারই এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির ডিআইজিকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বিচারপতি। তাঁর উপস্থিতিতেই এই মামলার তদন্তভার সিআইডিকে দিয়ে বিচারপতির নির্দেশ, জেলা স্কুল পরিদর্শককে এফআইআর দায়ের করতে হবে। তার ভিত্তিতে তদন্ত করবে রাজ্যের সংস্থা। ২ সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ২ ফেব্রুয়ারি মামলাটি আবার শুনবে আদালত। এ ছাড়া ২০১৬ সালের পর থেকে যত নিয়োগ হয়েছে সব শিক্ষকের তথ্য যাচাই করা দরকার বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি জানান।জেলা স্কুল পরিদর্শকদেরই তা শুরু করতে হবে।

Advertisement

মুর্শিদাবাদের গোথা এ রহমান হাই স্কুলের এই নিয়োগ জালিয়াতির ঘটনায় বুধবারই বিচারপতি বসু বলেছিলেন, ‘‘ঘটনাটি অনভিপ্রেত। এই ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার।’’ বৃহস্পতিবারও তিনি বলেন, ‘‘আমি দেখে অবাক হচ্ছি যে জেলা স্কুল পরিদর্শক এই নিয়োগ নিয়ে কিছু জানেন না। অথচ ওই শিক্ষক গত ৩ বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন। কী করে এ বিষয়ে কেউ কিছু জানেন না!’’

ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের সুতি-১ নম্বর ব্লকের । স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস তিওয়ারির পুত্র অনিমেষ তিওয়ারির বিরুদ্ধে এক পাশ করা শিক্ষকের নিয়োগপত্র জাল করে প্রধান শিক্ষক ‘বাবার স্কুলে’ চাকরি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ২০১৯ সাল থেকে অনিমেষ ওই স্কুলে বেআইনি ভাবে কর্মশিক্ষার শিক্ষক পদে চাকরি করছেন।এ ব্যাপারে মুর্শিদাবাদ জেলা স্কুল পরিদর্শক জানিয়েছিলেন, অনিমেষকে নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনও তথ্য নেই। বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছেন, নিয়োগপত্রের তথ্য না থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে তিন বছর ধরে বেতন পেলেন অনিমেষ।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ