২০২৩ এ নয় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফিরবে, না ফিরবে না
বাংলার জনরব ডেস্ক : ২০২৩এ দেশে নয়টি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে।এই নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে আগামী ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্র কার দখলে যাবে।এহেন পরিস্থিতিতে সোমবার দিল্লিতে কর্মসমিতির বৈঠকে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা । তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৩ সালে ন’টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। একটাও রাজ্যে হারা চলবে না বিজেপির। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসাবেই এই বিধানসভাগুলিকে দেখছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাই সমস্ত রাজ্যেই জয় পেতে মরিয়া নাড্ডা।
সোমবার দিল্লিতে মহা রোড শো করে এসে কর্মসমিতির বৈঠকের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপরেই নাড্ডার বক্তৃতা। কর্মীদের উদ্দেশে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি সাফ জানিয়ে দেন, ২০২৩ সালের একটি বিধানসভাতেও যেন না হারে বিজেপি। চলতি বছরেই কাশ্মীরে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানেও জয় পেতে কোমর বেঁধে নামতে চাইছে বিজেপি। নাড্ডা বলেছেন, যেসমস্ত রাজ্যে দলের সংগঠনের বেহাল দশা, সেখানে পুরোদমে কাজে লেগে পড়তে হবে দলীয় কর্মীদের। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের সব প্রান্তেই সংগঠনের জোর বাড়ানোর ডাক দিয়েছেন নাড্ডা।

২০২২ সালে গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বিজেপি। সেই জয়ের জন্য রাজ্যের কর্মীদেরই ধন্যবাদ জানিয়েছেন নাড্ডা। সেই সঙ্গেই হিমাচলের হারের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।
কর্মসমিতির বৈঠক শুরু হওয়ার আগে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল, লাগাতার ব্যর্থতার জেরে নাড্ডার উপর বেশ অসন্তুষ্ট বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়ে নাড্ডার উপরেই আস্থা রাখল বিজেপি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নাড্ডার নেতৃত্বেই লড়বে কিনা তা অনেকটা নির্ভর করছে এ বছর অনুষ্ঠিত নয়টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ওপর। চলতি মাসেই সভাপতি হিসাবে নাড্ডার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। আপাতত তাঁর মেয়াদ বাড়ল। যদি নয়টি রাজ্যের মধ্যে দু একটি বাদে বেশিরভাগ রাজ্যে বিজেপি হেরে যায় তাহলে নাড্ডা হয়তো নিজে থেকে ইস্তফা দিতে পারেন।

