সাধারণ মানুষ মমতা ব্যানার্জিকে বিশ্বাস করেন এবং তাঁর প্রতি আস্থা রাখেন : জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
“অনান্য দলের নেতা নেত্রীর সঙ্গে আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর এইটাই পার্থক্য। যার জন্য এ রাজ্যের মানুষ আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর উপরে অগাধ ভরসা ও বিশ্বাস করেন। আমাদের নেত্রী তথা এই বাংলার মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী আমাদেরকে শিখিয়েছেন বিপদের দিনে কে কোন দলের সঙ্গে যুক্ত সেটা দেখবেন না।

দল মত নির্বিশেষে বিপদের দিনে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বলেন। আমাদের নেত্রী তথা এ রাজ্যের মা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বলেছিলাম সম্প্রতি কয়েকদিন আগে হাবরা এলাকায় আগুনে ভষ্মীভূত হয়ে বেশ কিছু অসহায় পরিবারের চরম ক্ষতি হয়ে গেছে। মমতাদি তখন আমাকে বলেছেন সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওইসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমি এসেছিলাম। আর মমতা ব্যানার্জীর নির্দেশ মতো নতুন ঘর করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি আজ বাস্তবে রুপ পাচ্ছে। এক কথায় আমরা মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিই সেই প্রতিশ্রুতি পালন করি। আর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রুপ পায়। আর অনান্য দলের নেতা নেত্রীরা যে সব প্রতিশ্রুতি দেয় সেগুলো বাস্তবে চোখে দেখা যায় না। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে অনান্য দলের এটাই পার্থক্য। এখানে রেল কলোনীতে আগুন ধরে অনেক অসহায় মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।


রেল কর্তৃপক্ষ একবার দেখতেও আসেনি। রেলের এই বিমাতৃসূলভ আচরনকে আমরা ধিক্কার জানাই। আমরা কিন্তু প্রথম দিন থেকেই এইসব অসহায় মানুষদের পাশে আছি। তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানোর পাশাপাশি তাদেরকে তিনবেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা আমরাই করেছি। এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন বাড়ীর চাবি তুলে দেওয়ার দৃষ্টান্ত গোটা ভারতবর্ষে এই প্রথম। ওইসব অসহায় মানুষদেরকে আজ আমরা মমতা ব্যানার্জীর নির্দেশ মতো নতুন ঘর করে দেওয়ার পাশাপাশি কম্বল, শীতবস্ত্র,চাল, ইনডাকশন ওভেন, দুধ, বাসনপত্র সহ সাংসারিক জিনিষপত্র দিলাম। আমরা মানুষের সাথে আছি। মানুষের সমস্যা মেটানোর জন্য “দিদির দূত” হিসেবে আমরা এলাকায় এলাকায় ঘুরছি। মানুষের ভালো স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি।আর এতেই বিজেপির গাত্রদাহ। যার জন্য মানুষের এই সমস্যা সমাধানের এই কাজকে পন্ড করার জন্য প্রতি এলাকায় বিজেপির নেতাদেরকে নামিয়ে দিয়েছেন। ওতে কিছু লাভ হবে না। মানুষ সবটাই দেখছেন। ”

সম্প্রতি কয়েকদিন আগে হাবরা ১ নম্বর রেল কলোনী বটতলায় আগুনে ভষ্মিভূত হওয়ার ঘটনার পর রবিবার ওইসব ৩৫ টি বাড়ির মালিক অসহায় গৃহহীন ১৩০ জন সদস্যদের হাতে নতুন ঘরের চাবি সহ বাসনপত্র,শীতবস্ত্র, চাল, দুধ, ইনডাকশন ওভেন সহ সাংসারিক জিনিসপত্র তুলে দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই কথাই বললেন হাবরার বিধায়ক তথা রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

