আবারো মানবিকতার নজির স্থাপন করলেন বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ এ কে এম ফারহাদ
বিশেষ প্রতিবেদন,দমদম : বাংলায় প্রবাদ বাক্য আছে বিপদের সময় যে পাশে দাঁড়ায় সেই প্রকৃত বন্ধু। সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী দীর্ঘদিনের লড়াই সংগ্রাম করে উঠে আসা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ।

বলা বাহুল্য বাংলার জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজনীতির ময়দানে পা দেওয়ার আগে থেকেই মানুষের আপদে বিপদে পৌঁছে যাওয়াই ছিল যার নিত্যনৈমিত্তিক কাজ সেই একেএম ফারহাদ বিগত দিনেও অসুস্থ পরিবারের পাশে গিয়ে যেমন সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে, ঠিক তেমনি পরিবারের কোনো সন্তানের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সাহায্য নিয়ে হাজির হতে দেখা গেছে বিগত দিনে। উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগে দেগঙ্গার বেশ কিছু ছেলে বাইরের রাজ্যে কর্মসূত্রে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করে বাড়িতে আনার ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে তাকে।

রবিবার অত্যন্ত দুঃখের এক ঘটনা সাক্ষী থাকলো মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরি। যেখানে বরফ ফ্যাক্টরিতে কর্মরত ছিল উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত-২ নম্বর ব্লকের গোলাবাড়ি বুকুন্ড গ্রামের তরতাজা কিছু যুবক। নিয়তির দুর্ভাগ্যে মহাসিন হোসেন (২৭), হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরিতে। মৃতের পিতা শহিদুল ইসলাম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে মৃতদেহকে দমদম বিমানবন্দরে নিয়ে আসা এবং সেখান থেকে বাড়িতে পৌঁছানোর সব রকমের ব্যবস্থা সন্তর্পণ করতে দেখা গেছে একেএম ফারহাদকে। উল্লেখ্য দমদম বিমানবন্দরে সোমবার সন্ধ্যা আটটা নাগাদ মৃতদেহ কফিন বন্দি হয়ে ফিরে এলে তাকে বাড়িতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা ও সমস্ত রকমের সহযোগিতা করে সমাজকর্মী একেএম ফারহাদ।

