কলকাতা 

বিধায়ক জননেতা ও মন্ত্রী মুহাম্মদ আখরুজামানের সান্নিধ্যে এক অনন্য অভিজ্ঞতা

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি: গত সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার বিধায়ক আবাসে আমরা সাক্ষাৎ করেছিলাম রাজ্যের বিদ্যুৎপ্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আখরুজামানের সঙ্গে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মুর্শিদাবাদের এই বিধায়ক মানুষের কতটা কাছাকাছি রয়েছেন তা স্পষ্ট হয়ে যায় আমাদের সঙ্গে এই বৈঠকে, মিনিটে মিনিটে মোবাইল ফোন বেজে উঠছে কথা বলতে বলতেই আন্তরিকতার সঙ্গে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলছেন সমস্যা শুনছেন এবং তার সমাধান করে দিচ্ছেন তাৎক্ষণিকভাবে।

কেউ বলছেন কোন অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য, সময় এবং তারিখ জানার পর তিনি অনেককেই বলছেন যে যেতে পারবো, কি  পারবো না? স্পষ্ট ভাষায় বললে প্রয়াত বিধায়ক হাবিবুর রহমান রহমানের পুত্র জনাব মোঃ আখরুজ্জামান মানুষের সঙ্গে মিশে আছেন, মানুষের সুখ দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন, এটা গতকালের ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে  উঠেছে।

Advertisement

আমাদের মধ্যে ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক স্পন্দন পত্রিকার সম্পাদক নওশাদ মল্লিক, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক লেখক ও শিক্ষক এসএম শামসুদ্দীন, বাংলার জনরব নিউজ পোর্টাল এর সম্মানীয় সম্পাদক সেখ ইবাদুল ইসলাম প্রমুখ। মন্ত্রী মোহাম্মদ আখরুজ্জামানের আন্তরিকতায় মুগ্ধ প্রবীণ সাংবাদিক এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক স্পন্দন পত্রিকার সম্পাদক নওশাদ মল্লিক। তিনি বলেন, বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আখরুজামান এক ব্যতিক্রমী মানুষ। আমি আমার সাংবাদিক জীবনের অনেক রাজনীতিবিদকে দেখেছি এমন সহজ সরল মানুষ খুব কম  রাজনীতিবিদদের মধ্যেই দেখা যায়।

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক কলামিস্ট সেখ ইবাদুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রী আখরুজ্জামানের বাবা ছিলেন বিশিষ্ট জননেতা হাবিবুর রহমান। তিনি তার এলাকার মানুষের সঙ্গে যেভাবে মিশতেন চলতেন সম্পর্ক রাখতেন তার উত্তরসূরী হিসাবে মন্ত্রী  সেই কাজ করে চলেছেন। তাঁর মত একজন রাজনীতিবিদ এ বাংলায় এই মুহূর্তে খুঁজে পাওয়া কঠিন। এস এম শামসুদ্দিনের সৌজন্যে তাঁর সঙ্গে মিলিত হয়ে আমরা এক অনন্য অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম।

বিশিষ্ট লেখক প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক এসএম শামসুদ্দিন বলেন,  আখরুজ্জামানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তাঁর পিতা মরহুম হাবিবুর রহমান আমাদের খুব কাছের মানুষ ছিলেন। আমরা এক আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিলাম সেই আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সব রকম সাহায্য করেছিলেন বাবা ও ছেলে দুজন মিলে।

এক কথায় মন্ত্রীর আবাসস্থল বিধায়ক  আবাসে গিয়ে আমাদের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তা এক কথায় অনন্য। বাংলার রাজনীতিতে এইরকম রাজনীতিবিদ আরো বেশি বেশি করে প্রয়োজন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ