দেগঙ্গায় একাধিক দলীয় ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিরা
বিশেষ প্রতিবেদন, দেগঙ্গা : পশ্চিমবঙ্গে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন কয়েক মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।তারই মহড়া হিসাবে রাজনৈতিক দলগুলো ময়দানে নেমে পড়েছে উন্নয়নের ফিরিস্তি নিয়ে। উল্লেখ্য দেগঙ্গার আমুলিয়া,চৌরাশি,বেঁড়াচাপা সহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে সরকার ক্যাম্প সহ নানা ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি মানুষের সামনে তুলে ধরে।

উঃ চব্বিশ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস তরুণ লড়াকু মুখ তথা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ জানায় মানুষের পাশে থেকে সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী তথা বাংলার জনদরদি মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া শ্রীমতি মমতা ব্যানার্জি যেভাবে বাংলার দশ কোটি মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে তা অভূতপূর্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের অনুগত কর্মী হিসেবে দলীয় কর্মসূচিতে কাজ করার পাশাপাশি,সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি মানুষের সামনে তুলে ধরে বর্তমান সরকারের মতো জনদরদি সরকার আগে কখনো বাংলা তথা দেশের কাছে নজিরবিহীন।


তিনি আরও বলেন সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি, মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম,জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, রথীন ঘোষ, সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদারদে’র নির্দেশ মতো সবসময় কাজ করে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকি।

দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মফিদুল হক সাহাজি বলেন দলীয় কার্যালয়ে কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে নিয়মিত যোগাযোগ করা একমাত্র লক্ষ্য।দেগঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে ছিল লিয়াকত আলী সাগর,ইসতেহাক,রিঙ্কু, ঝন্টু, ব্যারিস্টার,রসিদ,বাদল ঘোষ, ইমতিয়াজ,শর্মীষ্ঠা প্রমুখ।

