কলকাতা 

CESC: সিইএসসির বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে কলকাতার নাগরিকরা বিপর্যস্ত!

শেয়ার করুন

বুলবুল চৌধুরি: কলকাতা ইলেকট্রিক সাপ্লাই এর বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের শিকার বারবার হচ্ছে কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার বাসিন্দারা। নভেম্বর ডিসেম্বর মাস সাধারণত সেভাবে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয় না। কিন্তু  সিইএসসি CESC পরপর দুদিন কোন কারন ছাড়াই বেশ কয়েক ঘন্টা লোডশেডিং এর মধ্যে কাটাতো হল পার্ক সার্কাসের একাংশের বাসিন্দাদের। কেন এই বিদ্যুৎ বিপর্যয় তার কোন নির্ভরযোগ্য কারণ জানাতে পারেনি CESC কর্তৃপক্ষ।

ইদানিং সিইএসসির কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলে কোন ব্যক্তিকে পাওয়া যায় না অনলাইনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন নাম্বার টিপতে হয় তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় বিদ্যুৎ আসার জন্য। আজ একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এদিনে দেখা গেল ঠিক চারটে ১৫ মিনিটে পার্ক সার্কাসের একাংশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়। কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে অভিযোগ জানানোর পরেও প্রায় তিন ঘন্টা পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। দুই দিন আগে গত শনিবার এই একই জায়গায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা যায়। প্রায় পাঁচ ঘন্টা পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয় সিইএসসি।

Advertisement

বিদ্যুতের লাগাম ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সাধারণ নাগরিকদের ন্যূনতম পরিসেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছে সিইএসসি কর্তৃপক্ষ। পার্ক সার্কাস এলাকায় দু তিনটে হাসপাতাল এবং বেশ কয়েকটি নার্সিংহোম রয়েছে তা সত্ত্বেও সিএসসির এই বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে কোনো দুঃখ প্রকাশ নেই। আসলে, মমতা সরকারের ভাবমূর্তিকে সাধারন মানুষের কাছে ম্লান করে দেওয়ার জন্য কয়েকটি গোষ্ঠী সক্রিয়।

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন এইভাবে বাড়তি বিদ্যুতের দাম দেওয়া সত্বেও দিনের পর দিন বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের দায় কেন নেবে না সিইএসসি। বিদ্যুৎ চুরির দায়  নয় গ্রাহকে সবকিছু গ্রাহকদের উপরে চাপিয়ে দিয়ে উপরন্তু গ্রাহকদের কাছ থেকে বেশি মুনাফা লাভ করে চলেছে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সিএসসি। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিকটাই বিশেষভাবে নজর দেবেন এই আশা এবং প্রত্যাশা আমরা রাখছি।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ