Teacher Recruitment Scam : আসল অপরাধী হয়তো আমার জীবত কালে ধরা পড়বে না বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের , কে আসল অপরাধী? কেন এরূপ মন্তব্য করলেন বিচারপতি? জানতে হলে ক্লিক করুন
বাংলার জনরব ডেস্ক : আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টের এজ্লাসের বসে আছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কয়েকটি মামলা শুনে উঠব উঠব করছেন। ঠিক তখনই তাঁর সামনে এসে হাতজোড় করে দাঁড়ালেন এক ব্যক্তি। বললেন, ‘‘আমি নাকতলায় থাকি। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাড়ায়। আপনি যা করেছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ।’’
বিচারপতি এমন ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। স্বাভাবিক ভাবেই কোনও কথা না বলে অপেক্ষা করেন। আর ওই ব্যক্তি বলে চলেন— ‘‘আমাদের এলাকার বাচ্চা ছেলেরাও জানত সব (পার্থের বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত) বিষয়ে। আমরাও অনেক আগে থেকেই জানতাম। কিন্তু কিছু বলতাম না! কুকুরের বিষয়ে বাড়ির পরিচারিকাও জানতেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি পূজনীয়! আমার মা আপনার কথা বলেন।’’
জানা যায়, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর প্রতিবেশী বলে দাবি করা ওই ব্যক্তির নাম সুনীল ভট্টাচার্য। বয়স ৫০-এর আশপাশে। পার্থের প্রতিবেশীর সঙ্গে এর পর কথোপকথনও শুরু হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় : আপনার মাকে আমার প্রণাম জানাবেন।
সুনীল ভট্টাচার্য : আমি ভুবনেশ্বরে কাজ করি। বাংলা নিয়ে অনেকে খারাপ মন্তব্য করেন।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: পশ্চিমবঙ্গের গর্বের জায়গা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমাকেও মাঝে মাঝে শুনতে হয়। কয়েক বছর আগে এক বার পুরী থেকে আসার পথে এক সহযাত্রী বলেন, বাংলার কলেজে ভর্তি হতে টাকা দিতে হয়। অথচ ভুবনেশ্বরে এটা হয় না! পশ্চিমবঙ্গের গর্বের জায়গা ফিরিয়ে আনতে হবে। সবাই চেষ্টা করুন।
সুনীল ভট্টাচার্য: আপনি অনেক কিছু করেছেন। এ বার আসল অপরাধী ধরা পড়বে বলে মনে হচ্ছে।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: আসল অপরাধী হয়তো আমার জীবৎকালে ধরা পড়বে না। ইডি, সিবিআই কী করে দেখা যাক!

