ডিএলএডে অফলাইনে ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকা করে ছাত্র পিছু নিত মানিক, দাবি তাপসের
বাংলার জনরব ডেস্ক : ইডির পর এবার মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে সরব হলেন একদা মানিকের ঘনিষ্ঠ তাপস মন্ডল। তিনি আজ বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে এসে সাংবাদিকদের বলেছেন,‘টাকা নিতে মহিষবাথানের অফিসে লোক পাঠাতেন মানিক। ডিএলএড কলেজে অফলাইনে ছাত্র ভর্তির টাকা যেত মানিকের কাছেই। ছাত্র পিছু ৫ হাজার টাকা করে নগদেই দেওয়া হত মানিককে।’
ডিএলএড কলেজে অফলাইন রেজিস্ট্রেশনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ। ৬০০ কলেজে পড়ুয়া পিছু ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই নগদ টাকা সরাসরি যেত মানিক ভট্টাচার্যর কাছে, বলেই অভিযোগ ইডির। কার্যত ইডি-র অভিযোগে সিলমোহর তাপস মণ্ডলের।
এতদিন আদালতে যে দাবি করছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ED’র দফতরে জবানবন্দি রেকর্ড করাতে এসে এবার সেটাই সরাসরি স্বীকার করে নিলেন মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস। যার ফলে, আরও বিপাকে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। ইডি দফতরে ঢোকার মুখে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘৫ হাজার টাকা করে অফলাইনের ফিজটা তো দিতেই হত। ক্যাশ টাকায়।’
৬০০ কলেজে পড়ুয়া পিছু ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ এর আগে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ED’র তরফে দাবি করা হয় যে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৩টি সেশনে রাজ্যের ছ’শোরও বেশি D.EL.ED কলেজে অফলাইনে ভর্তির জন্য পড়ুয়া পিছু ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। সেই নগদ টাকা সরাসরি পৌঁছে যেত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর কাছে।
উল্লেখ্য, এই নিয়ে চতুর্থবার ED’র দফতরে এলেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। এদিনও দীর্ঘক্ষণ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক।

