কলকাতা বিনোদন, সংস্কৃতি ও সাহিত্য 

মাইকেল মধুসুদন একাডেমির উদ্যোগে বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৯তম প্রয়াণ দিবস পালন

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নায়ীমুল হকের প্রতিবেদন: উনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৯ তম প্রয়াণ দিবস পালিত হল আজ। কলকাতার শোভাবাজার হাটখোলা মেডিক্যাল ব্যাংকের হল ঘরে ৪৩বছরের অতি পরিচিত সংগঠন মাইকেল মধুসুদন একাডেমির উদ্যোগে পালিত হলো বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক-এর প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠান। তাঁকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। ঐতিহ্যের অনুবর্তিতা অমান্য করে নব্যরীতি প্রবর্তনের কারণে তাঁকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক কে জে নাথ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাক্তন সহ উপাচার্য ড:মীনাক্ষী রায়, প্রাক্তন নিবন্ধক অধ্যাপক রাজাগোপাল ধর চক্রবর্তী, চিত্রাভিনেতা শিল্পী চক্রবর্তী এবং শোভাবাজার হাটখোলা মেডিক্যাল ব্যাংক এর প্রাণপুরুষ ডি আশীষ সহ একাডেমির সম্পাদক ড :বিধান দত্ত।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ড :বিধান দত্ত মাইকেল মধুসূদন একাডেমির মাইকেল স্মরণ অনুষ্ঠান যা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হওয়া প্রয়োজন তা কেনো বাইরে করতে হচ্ছে তা জানিয়ে সর্বস্তরের ঔদাসীন্যকে দায়ী করেন। কেনো মাইকেল এর বাড়ি এখনও সরকারি ভাবে অধিগ্রহণ করা হচ্ছে না তাও উল্লেখ করেন।

পরে মাননীয় অতিথিদের অনুরোধ করেন মঞ্চে মাইকেল এর প্রতিকৃতিতে মালা দেওয়ার জন্য। অতিথিরা শ্রদ্ধার সঙ্গে মালা দিয়ে মঞ্চে মাইকেল এর প্রতিভার উল্লেখ করেন। এরপর এবারের ১০ জন নির্বাচিত বিশেষ কিছু সমাজসেবী কবি, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বাচিকশিল্পীদের সম্মাননা দিয়ে উৎসাহিত করেন। সমাজের মনোবিদ হিসেবে ডাঃ ত্রিপর্ণা চট্টোপাধ্যায়, কবি সাহিত্যিক সুকেশ কুমার মন্ডল, লোকগণিতবিদ অমল কে ভৌমিক, শিক্ষিকা ও সঙ্গীত শিল্পী সুতপা দত্ত দাসগুপ্তকে প্রাক্তন সহ উপাচার্য ড:মীনাক্ষী রায় সম্মাননা প্রদান করেন।

পরিশেষে কবিতা, গান, আলোচনা দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ