কলকাতা 

পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান হবে মেদিনীপুর শহরে

শেয়ার করুন

সেখ আবদুল আজিম :পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতি,1966 সালে প্রতিষ্ঠিত। তাদের একটি সভা প্রেসক্লাবে আয়োজিত হয়।পঞ্চাশের ওপর বয়স। প্রত্যন্ত গ্রামে আমাদের সদস্য আছে। এখন একটি ভুঁইফোড় বেনামী সংগঠন গড়ে উঠেছে। এখানে কোনো সদস্য চাঁদা দিতে হয় না,এটা বংশ পরম্পরায় রয়েছে।

এই বছরের ডিসেম্বর মাসে 50 বছর পূর্তি অনুষ্ঠান মেদিনীপুরে হবে।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এর সময় তৎকালীন সরকার চিনির ওপর বিধিনিষেধ জারি করে।সেন মহাশয়,দ্বারিক, ভিমনাগ, নকুড় নন্দী, গাঙ্গুরাম সহ বিভিন্ন মিষ্টিন্ন বিক্রেতারা প্রতিবাদ করে। 213 টি উপকরণ আমরা লিপিবদ্ধ আকারে কেন্দ্রের কাছে তুলে দেই,যেখানে কোনো ভেজাল দেওয়া হয় না বলে আমরা জানাই। জি এস টি লাঘু করা হয়,5,12,18,22 শতাংশ পর্যন্ত। আমরা রিলে অনশন শুরু করি। একাধিক রাজ্যের মন্ত্রী আমদের মঞ্চে আসেন। আমরা রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হই। মিষ্টান্ন শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে,এই জি এস টি চাপানোর ফলে। বিভিন্ন নোনতা খাবার এবং মিষ্টি আমরা দিনের দিন করি,বিক্রি না হলে ফেলে দেই। হায়দ্রাবাদে জি.এস. টি .কাউন্সিলে প্রতিবাদ জানাই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। এ রাজ্যের বাইরে দই এর ক্ষেত্রে কর ছিল না,আর এই রাজ্যে মিষ্টি দই এর ক্ষেত্রে কর চাপানো ছিল। আমাদের আন্দোলনের চাপে তা কমানো হয়। রসগোল্লার জি আই নিয়েও আমরা আন্দোলন করি। প্রত্যেক মিষ্টির জিনিসে ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট, এক্সপায়ারি ডেট লিখতে হবে,এরপর তৎকালীন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের সঙ্গে বৈঠক করি। এখন আমরা লিখে দেই ,3 থেকে 4 দিন থাকবে। করণার জন্য বড়ো বড়ো মিষ্টির দোকান ধুঁকছে। রপ্তানিযোগ্য মিষ্টি তৈরি করা আরো বাড়ানো হবে। সরকারের কাছে আবেদন,একটা ল্যাবরেটরি তৈরি করা হোক। সরকারের আরো সাহায্য প্রার্থনা করি,কারিগরি শিক্ষা আরো বেশি প্রয়োজন

Advertisement

আরো হাইজেনিক,প্রযুক্তিগত উন্নতি করা যায়,তার ব্যবস্থা করুক সরকার। বিদেশে আরো পৌঁছে যাক। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ ব্যবসায়ী সমিতি ভাইস প্রেসিডেন্ট সন্দীপ সেন,জয়েন্ট সেক্রেটারি আশীষ পাল, রাম চন্দ ঘোষ মন্ডল ট্রাজারার , এবং বিভাস দাস চৌধুরী সঞ্জয় পোদ্দার কমিটির সদস্য আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ