দেশ 

Kutub Minar : কুতুব মিনারে পুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না আদালতে জানালো এএসআই, কেন পুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না ? জানতে হলে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক: বিতর্কের মাঝেই কুতুব মিনার (Qutub Minar) নিয়ে দিল্লির আদালতে হলফনামা দিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI)। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, “সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভে পুজোপাঠ শুরুর অনুমতি দেওয়া যায় না। কারণ যবে থেকে এই স্মৃতিস্তম্ভটি সংরক্ষিত হচ্ছে, সেখানে পুজোপাঠ হত না। ফলে কোনও সংরক্ষিত এলাকার গঠন বদলানো সম্ভব নয়।”

এএসআইয়ের প্রাক্তন রিজিওনাল ডিরেক্টর ধরমবীর শর্মা দাবি করেছিলেন, কুতুবুদ্দিন আইবক নন, সূর্যের গতিপথ পর্যালোচনার জন্য কুতুব মিনার তৈরি করেছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য। তার পর থেকেই সেখানে হিন্দু ও জৈন দেবদেবীর মূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে মামলা দায়ের হয়েছিল দিল্লি সাকেত আদালতে। এদিন সেই মামলায় হলফনামা জমা করল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI)।

হলফনামায় আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানায়, “১৯১৪ সাল থেকে কুতুব মিনারকে সংরক্ষণ করছি আমরা। এখন এই স্মৃতিসৌধের গঠন বদল করা সম্ভব নয়। তাই সেখানে পুজো করার যে দাবি তোলা হচ্ছে, সেটাও মানা সম্ভব নয়।” হিন্দুত্ববাদীরা কুতুব মিনার চত্বরে পুজার্চনা করার দাবি তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। তাঁদের সেই আরজিকে মান্যতা দেওয়া সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে এএসআই। তাদের কথায়, “কুতুব মিনার তৈরি করতে পুরনো মন্দির ভাঙার যে অভিযোগ রয়েছে তা ঐতিহাসিক বিষয়। এটা এখন সংরক্ষিত স্মৃতিসৌধ। তাই এখানে কারওর ধর্মীয় উপাচারের আবেদন মানা যায় না।”

প্রসঙ্গত, ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’-এর অন্তর্গত কুতুব মিনার। ইটের তৈরি মিনারের মধ্যে এটিই বিশ্বের দীর্ঘতম। দৈর্ঘ্য ৭২.৫ মিটার। এখানে রয়েছে ৩৭৯টি ঘোরানো সিঁড়ি। ইতিহাস বলছে, কুতুবুদ্দিন আইবক এই মিনার তৈরি করান।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ