জেলা 

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের প্রশাসনিক সভা: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ, সীমান্ত এলাকায় সীমান্তরক্ষী(BSF) বাহিনীদের অত্যাচার নিয়ে সরব বিধায়ক ইদ্রিস আলী

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : আজ ২০শে এপ্রিল বুধবার, মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে (সার্কিট হাউসে) পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারপার্সন ডাক্তার মুমতাজ সঙঘমিতা এক প্রশাসনিক সভা করেন।বিধায়ক, কাউন্সিলার, বিভিন্ন সংগঠনের নেতা নেত্রীদের কথা মনযোগ সহকারে শুনেন।

বিধায়ক ইদ্রিস আলী বলেন, ভগবানগোলায় একটি কমিউনিটি হলের প্রয়োজন,সেটা করার জন্য তিনি দাবি রাখেন। তিনি আরও বলেন একটি কোচিং সেন্টার করার প্রয়োজন। কবরস্থান গুলি প্রাচীর দিয়ে ঘেরার আবেদন জানান।বিধায়ক ইদ্রিস আলী আরো জানান, ভগবানগোলার সীমান্ত এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীদের অত্যাচারে মানুষ জর্জরিত। সীমান্ত এলাকায় বেশিরভাগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে। তাঁরা জমি চাষ করতে বা ফসল উৎপাদন করতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর দ্বারা বাধা পায়,আমি সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর(BSF) কমান্ডারের সাথে দেখা করে কিছু সুবিধা করে দিয়েছি। কিন্তু পুরোপুরি নিরাপত্তার জন্য আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি। চেয়ারপার্সন ডাক্তার মুমতাজ সঙঘমিতা , ইদ্রিস আলীর প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রায় সর্বত্রই তবে আমরা এ ব্যাপারটা দেখবো।অন্য দাবিগুলোর ব্যাপারে মেটানোর চেষ্টা করবেন বলে কথা দেন।

বিধায়ক হুমায়ুন কবির তাঁর এলাকায় কিছু সমস্যার কথা বলেন, সেগুলো মেটানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান, ডাক্তার মুমতাজ সঙঘমিতা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডাক্তার মুমতাজ সঙঘমিতা বলেন, অনেক প্রকল্পে কেন্দ্রের শতকরা ৬০ এবং রাজ্যের শতকরা ৪০ শত্যাশ টাকা দেওয়ার কথা। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার ঠিকঠাক টাকা দিচ্ছে না, বঞ্চনা করছে। তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে আমি সমস্ত সমস্যাগুলো মেটানোর চেষ্টা করবো বা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু কমিশনের সদস্য রফিকুল আলম, শেহনাজ কাদেরী,জেলা সভাধিপতি সামসুজ্জামান, বিধায়ক কানাইচন্দ্র মন্ডল, বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম, জেলা শাসক শরৎ কুমার ত্রিবেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবিমল পাল, জেলার সমস্ত SDO,BDO,ডোমা সহ সমস্ত প্রশসানিক কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারপার্সন ডাক্তার সংঘমিতা প্রশাসনিক কর্তাদের কাজের প্রশংসা করেন।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ