ত্রিপুরাতেও তৃণমূলের প্রথম শহীদ মুজিবুর ইসলাম মজুমদার, বিজেপির আক্রমণে গুরুতর আহত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এসএসকেএমে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী এই অবদান মনে রাখবেন ?
বাংলার জনরব ডেস্ক : তৃণমূল দলের জন্য ত্রিপুরায় ত্রিপুরায় প্রথম শহীদ হলেন মুজিবুর ইসলাম মজুমদার। আজ বুধবার সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে প্রায় ছয় মাস ধরে জীবন যুদ্ধের সঙ্গে লড়াই করার পর ত্রিপুরার তৃণমূল কর্মী মুজিবুর ইসলাম মজুমদার মারা যান। তিনি প্রথম শহীদ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী। যদি আগামীদিনের যদি ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতাসীন হয় এই শহীদের কথা মনে রাখবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।
নিহত মুজিবর ইসলাম মজুমদার ত্রিপুরার বেশ সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন। গত ২৮ আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মুজিবর ইসলাম মজুমদারের বাসভবনে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, ওইদিন বেশ কয়েকজন বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। মুজিবরকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও ৩জন তৃণমূল কর্মী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আক্রান্ত হন।

মুজিবর ইসলাম মজুমদার এবং ছাত্রনেতা শুভঙ্কর মজুমদারের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়। তাঁদের কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি করা হয়। শুভঙ্কর মজুমদার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। তবে আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে মুজিবর ইসলাম মজুমদারকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় সেই সময় তাঁর অস্ত্রোপচার করা যায়নি।
তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষের মধ্যে চলছে চাপানউতোর। তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। ত্রিপুরাবাসী এই ঘটনার জবাব দেবে বলেই দাবি তাঁর। যদিও বিজেপি নেত্রী অস্মিতা বণিক অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, যেকোনও মৃত্যু দুঃখজনক ঠিকই।
পশ্চিমবাংলাতে অনেক মুসলিম তৃণমূল কর্মী দলের জন্য শহীদ হয়েছেন এ কথা যেমন সত্য তেমনি তৃতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার এই রাজ্যের সংখ্যা লঘুদের সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত অবহেলিত করে চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

