জেলা 

রায়চকে বেড়াতে গিয়ে হেনস্থার শিকার বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ একদল লোক তাঁর বাড়ি ঘিরে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে

শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : রায়চকে বেড়াতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়লেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রায়চকের যে বাড়িতে আছেন, তা ঘিরে রেখেছে  একদল লোক বলে অভিযোগ। পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ সচেষ্ট হয়। বাড়ির সামনে থেকে সবাইকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বৈশাখীর অভিযোগ তারা নাকি হুমকি দিয়ে বলে ,”ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি-র টিকিটে দাঁড়াবি ? এত বড় স্পর্ধা। ধর্ষণ করে ফেলে দেব।”

দিনকয়েক আগেই শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বান্ধবী বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছে বলেছে জল্পনা শুরু হয়। বিজেপি সূত্রে খবর ছিল, ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হতে পারে বৈশাখিকে। বিজেপি যোগের বিষয়টিকে ‘মিডিয়ার গুজব’ বলে উড়িয়ে দিলেও জল্পনা জিইয়ে রেখেছিলেন বৈশাখি। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ছিল, “আমার সঙ্গে (মুকুল রায়ের) কথা হয়েছে বলছি না, আবার কথা হয়নি সেটাও বলছি না।”

তারপর গতরাতে মা, মেয়ে ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের (শোভনদা নামে সম্বোধন করেছেন বৈশাখি) সঙ্গে রায়চকে বেড়াতে যান বৈশাখি। তাঁর অভিযোগ, “গতরাতে কয়েকজন বাংলো ঘিরে রেখেছিল। তারপর সকাল থেকে যাঁরাই আমাদের বাড়িতে আসছেন তাঁদের ছবি তোলা হচ্ছে। আর বিষয়টি কাউকে ফোনে জানানো হচ্ছে।” বৈশাখির বক্তব্য, বিষয়টি এখানেই থেমে ছিল না। তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “আমার নামে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। বলেছে, তুই আমাদের রক্ত খেয়েছিস। এখন ফুর্তিবাজি করছিস। রেপ করে ফেলে দেব। ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি-র  টিকিটে দাঁড়াবি। এত বড় স্পর্ধা।”

তাঁর দাবি, পুলিশকে অভিযোগ করা হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, “রামনগর পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। আমাদের বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ না করেই চলে যায়। ফের সন্ধ্যা নামতেই বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়। তারপর  স্থানীয় বিডিও-কে জানানো হয়েছে। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই।” বৈশাখির দাবি, নির্বাচন কমিশনেও ফোন করা হয়।

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment