দেশ 

একত্রবাসের সঙ্গীকে বিয়ে করতে রাজি না-হওয়া মানেই তা আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া নয় জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

শেয়ার করুন

একত্রবাসের সঙ্গীকে বিয়ে করতে রাজি না-হওয়া মানেই তা আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া নয়। সম্প্রতি এক মামলায় এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে মানুষের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হয়। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ফলে যদি কেউ আত্মহত্যা করেন, তবে সেই ঘটনাকে সবসময় আত্মহত্যায় প্ররোচনা বলে দেওয়া যায় না।”

চার বছর আগে, ২০২২ সালে একত্রবাসের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে তেলঙ্গানার এক তরুণী আত্মহত্যা করেছিলেন। ওই ঘটনার তরুণীর প্রাক্তন সঙ্গীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের হয়। এ নিয়ে তরুণীর সঙ্গী এবং সঙ্গীর পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে পুলিশ। এ বার সেই এফআইআর খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে কেউ আত্মহত্যা করা মানেই অপর জন তাঁকে প্ররোচনা দিয়েছেন— এমনটা বলা যাবে না। এর জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে প্ররোচনার ‘প্রমাণ’ থাকতে হবে। কিংবা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ফলে সঙ্গী যে এমন কোনও পদক্ষেপ করতে পারেন, সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ছিল অপর জনের— এই বিষয়টি স্পষ্ট হতে হবে। শুধু অভিযোগকারীর বয়ান তা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট নয়।

এই মামলার ক্ষেত্রে মৃত তরুণী এবং অভিযুক্ত ছোটবেলার বন্ধু। পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একত্রবাসও শুরু করেন যুগলে। প্রায় তিন মাস তাঁরা একত্রবাসে ছিলেন। ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক ভাবে অভিযুক্তই বিয়ের প্রস্তাব দেন তরুণীকে। তাতে রাজি হন তরুণী। তরুণীর পরিবারও রাজি ছিল বিয়েতে। কিন্তু পরে অভিযুক্তের পরিবার বিয়েতে আপত্তি জানায়। সম্পর্ক ভেঙে ফেলার জন্য চাপ দেয় বলে অভিযোগ।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ