কলকাতা 

ক্যামাক স্ট্রিটে দলের দফতরে হামলার ঘটনাকে মধ্যরাতের বর্বরতা বলে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

শেয়ার করুন

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে বুধবার ভোরে হামলার ঘটনা নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাজমাধ্যমে ওই ঘটনার জন্য বিজেপিকেই দায়ী করেছেন তিনি। অভিযোগ, বিজেপি গুন্ডা পাঠিয়ে তাঁর দলের দফতর তছনছ করেছে। জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখান থেকে। অত্যাচার বন্ধ না-হলে আগামী দিনে দিল্লি গিয়ে ধর্নায় বসার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মমতা।

অভিষেক এখন কলকাতায় নেই। বুধবার সকালেই সমাজমাধ্যমে ক্যামাক স্ট্রিটের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেন তিনি। অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের দফতরে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছে। কর্মীদের মারধর করেছে। থানায় ফোন করেও কোনও লাভ হয়নি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবি জানান অভিষেক। বিকেলে ফেসবুক লাইভে সেই প্রসঙ্গ তোলেন মমতাও। বলেন, ‘‘আমাদের দফতরে মধ্যরাতে গুন্ডা পাঠিয়েছে বিজেপি। কাগজপত্র, দলিল, রেকর্ড সব তছনছ করা হয়েছে। আমাদের চার জনকে ভিতরে আটকে রাখা হয়েছিল, অনেক অত্যাচার করা হয়েছে। নাকের ডগায় শেক্সপিয়র সরণি থানা। ওই থানা-সহ একাধিক থানার ভূমিকা আমরা নোট করে রাখছি। চিরকাল বিজেপি থাকবে না।’’

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘মধ্যরাতের বর্বরতা’ বলে উল্লেখ করেছেন মমতা। বলেছেন, ‘‘খাস কলকাতার বুকে যাঁরা মধ্যরাতে বর্বরতা চালাচ্ছে, তারা গ্রামবাংলায় কী করছে, ভাবা দরকার।’’ বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ রক্ষক থেকে ভক্ষক হয়ে উঠেছে, অভিযোগ মমতার। তিনি জানান, যে সমস্ত অফিসার পুলিশের উর্দিকে সম্মান করে রক্ষক হিসেবে কাজ করেন, তাঁদের তিনিও শ্রদ্ধা করেন। কিন্তু সাক্ষ্যপ্রমাণ লোপাট করে, সাক্ষীকে গুলি করে কেউ কেউ ‘ভক্ষক’ হয়ে উঠেছেন। তাঁদের জন্য কোনও সম্মান নেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এ প্রসঙ্গে বারুইপুরের গণধর্ষণকাণ্ড এবং অভিযুক্তের এনকাউন্টারে পুলিশের ভূমিকার কথাও মমতা উল্লেখ করেছেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ