জেলা 

বিজেপি নেতার বাড়িতে ঢুকে আলো নিবিয়ে স্ত্রী-পুত্রকে মার! ‘দলের একাংশ জড়িত’, অভিযোগ তারকেশ্বর থানায়

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজেপি দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দিন দিন বেড়ে চলেছে। এবার এরকম একটি অভিযোগ এলো হুগলি জেলার তারকেশ্বর থেকে।

বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি গণেশ চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, সোমবার রাতে তাঁদের বাড়িতে ঢোকেন চেনা-পরিচিত কয়েক জন। তার পর তাণ্ডব চালানো হয়। গণেশের কথায়, তাঁরা বিজেপি- আশ্রিত দুষ্কৃতী। তাঁর দাবি, ‘‘ঘরের আলো নিবিয়ে দিয়ে আমার স্ত্রী-পুত্রকে মারধর করেছে।’’ গণেশের স্ত্রী মিতা চক্রবর্তীও বিজেপি করেন। তিনি তারকেশ্বর-৪ নম্বর মণ্ডলের সম্পাদক পদে রয়েছেন। গণেশ জানান, তাঁদের চাঁপাডাঙা কলেজ রোড স্কুলপাড়ার বাড়িতে ঢুকে নাবালক পুত্রের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে ‘দুষ্কৃতী’রা। মারধর করা হয় স্ত্রীকে। প্রতিবেশীরা যাওয়ার আগে ‘দুষ্কৃতীরা’ পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় তাঁর স্ত্রী-পুত্রকে। তারকেশ্বর থানার পুলিশের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন তিনি।

গণেশ জানাচ্ছেন, দলেরই একাংশ তাঁর পরিবারের উপর হামলা করেছে। তার কারণ, তিনি তারকেশ্বরের প্রাক্তন পুরপ্রধান উত্তম কুন্ডুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘বিজেপিতে কয়েক জন নতুন এসেছে। তারাই এই হামলায় জড়িত।’’ তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পানের সঙ্গেও গণেশের সম্পর্ক অম্লমধুর। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘যারা মারধর করেছে, তারা অনেকেই বিজেপি করে।’’

তারকেশ্বর হাসপাতালে চিকিৎসা হয়েছে বিজেপি নেতার স্ত্রী-পুত্রের। তারকেশ্বর থানায় মৌখিক ভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন গণেশ। গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের কেউ মুখ খুলতে চাননি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ