দেশ 

রাজস্থানের স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত আশুতোষ রাঙ্কা, মহারাষ্ট্রের দীপকে কে স্কুলে ঢুকতে বাধা!

শেয়ার করুন

মহারাষ্ট্রের একটি সরকারি স্কুলে গিয়ে নকল পড়ুয়া এবং মদের বোতল খুঁজে পাওয়ার অভিযোগ তুললেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার লাতুর জেলা পরিষদ পরিচালিত ওই স্কুলে ঢুকতেও তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অন্য দিকে, সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা শুক্রবার রাজস্থানের একটি স্কুল ‘পরিদর্শনে’ গিয়ে হামলার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ। ঘটনাচক্রে, দু’টি ঘটনাই ঘটেছে বিজেপিশাসিত রাজ্যে।

স্বাধীনতা দিবসে গ্রামীণ সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশ জুড়ে ‘স্কুল ঠিক করো’ প্রচার অভিযান শুরু করেছে ককরোচ বাহিনী। সে দিন দীপকে তাঁর নিজের গ্রাম মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সন্তুক পিম্পরিতে এই কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। এর পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি স্কুলগুলিতে যাওয়া শুরু করেছেন ককরোচ নেতা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা। সেই কর্মসূচিতেই রাঙ্কার নেতৃত্বে সিজেপির একটি দল শুক্রবার রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরের অদূরে রাম্পুরা-কানওয়ারপুরা গ্রামে গিয়ে হামলার মুখে পড়ে। তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ভিডিয়ো ফুটেজ বা ছবিতে হামলাকারীদের দেখাও গিয়েছে। কিন্তু পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি। রাঙ্কার অভিযোগ, হামলাকারীরা স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মী। তিনি বলেন, ‘‘হামলার সময় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল।’’

হামলার জেরে ফিরে আসতে হয় সিজেপি-র প্রতিনিধিদলকে। পরে সমাজমাধ্যমে রাঙ্কা লেখেন, ‘‘ওই গ্রামে গোয়ালঘরে শিশুদের পড়ানো হচ্ছে। সেটা দেখতে যাওয়ার ‘অপরাধে’ই বিজেপি গুন্ডারা হামলা চালিয়েছে।’’ তিনি জানান, ওই গ্রামের স্কুলবাড়ির ছাদ ভেঙে পড়েছে বলে খবর পেয়ে ঘটনাটি সরেজমিনে গিয়েছিলেন তাঁরা। অন্য দিকে, স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘সিজেপি প্রতিনিধিদের কয়েক জন ভগবান রামের নামে আপত্তিকর মন্তব্য করায় উত্তেজনা তৈরি হয়।’’

অন্য দিকে, দীপকে বৃহস্পতিবার ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযানে মহারাষ্ট্রের লাতুরের জেলা পরিষদ স্কুলে গিয়ে ঢুকতে বাধা পান বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, তাঁদের স্কুলের ভিতর ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। স্কুলচত্বর থেকে মদের বোতল পাওয়া গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সেই সঙ্গে ককরোচ প্রতিষ্ঠাতার দাবি, তাঁদের যাওয়ার খবর পেয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ ভাড়া করা নকল পড়়ুয়াদের এনে ক্লাসরুমে বসিয়েছিলেন! বিদ্যালয়ের শৌচাগার এবং মিড-ডে মিল পরিকাঠামোর বেহাল দশা বলে অভিযোগ তুলে মহারাষ্ট্রের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দাদা ভুসের ইস্তফা দাবি করেন দীপকে। যদিও লাতুরের ওই স্কুলের কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছেন, ওই ভবনে দু’টি আলাদা স্কুল চলে— একটি মরাঠী মাধ্যম এবং অন্যটি উর্দু মাধ্যম। বাইরে থেকে পড়ুয়া এনে বসানোর অভিযোগ ঠিক নয়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ