CJP News: দেশের জন্য বিপদজনক এবার বন্ধ হল ককরোচ জনতা পার্টির ওয়েবসাইট, মুখ খুললেন কমেডিয়ান বীর দাসও
ভারতে আর খোলা যাচ্ছে না Cockroach Janta Party-র (CJP) ওয়েবসাইট। সংস্থার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলির নিয়ন্ত্রণও কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে-র। NEET প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে কেন্দ্রী শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তুলেছিল CJP. আর তার পরই তাদের ওয়েবসাইটটি ভারতে ‘নিষিদ্ধ’ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি অভিজিতের। (Cockroach Janta Party)।
দু’দিন আগে CJP-র X হ্যান্ডলটি প্রথমে ভারতে খোলা বন্ধ হয়ে যায়। তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটিতে যেতেও সমস্যা হচ্ছিল। এমনকি অভিজিতের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও হ্যাক করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সামনে আসে। আর সেই আবহেই শনিবার ভারতে CJP-র ওয়েবসাইটে ঢোকা যাচ্ছে না। সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল তুলেছেন অভিজিৎ। কোনও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টই আর তাঁর হাতে নেই, সব কিছু হ্যাক করে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।
শনিবার দুপুরে X-এ ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে মুখ খোলেন অভিজিৎ। তিনি লেখেন, ‘আমাদের আইকনিক ওয়েবসাইট cockroachjantaparty.org বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। ১০ লক্ষ ককরোচ আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সদস্যতা গ্রহণ করেছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে পিটিশন সই করেছিলেন ৬ লক্ষ। আরশোলায় এত ভয় কেন সরকারের? এই স্বৈরাচারী আচরণ যুবসমাজের চোখ খুলেদিচ্ছে। আমাদের একটাই অপরাধ যে আমরা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চাইছি। এভাবে আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা নতুন ঠিকানা নিয়ে কাজ করছি। আরশোলা মরে না’।
CJP-র উপর বিধিনিষেধের খাঁড়া নিয়ে মুখ খুলেছেন কৌতুকশিল্পী বীর দাসও। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের বৈধতা এখানে প্রশ্ন নয়। সময়ই কথা বলবে। কিন্তু যে বিপুল সাড়া পেয়েছিল ওরা, নেপথ্যে যে আবেগ কাজ করছিল, তরুণদের তরফে উঠে আসা দাবিদাওয়াগুলি সব বৈধ। এতকিছুর পরও যদি তাদের বৈধতা নিয়ে কোনও সংশয় থেকে থাকে, তাহলে অ্যাকাউন্টগুলি বন্ধ করে দেওয়ার এই মূর্খতাপূর্ণ আচরণই সবকিছুকে বৈধতা প্রদান করল’।
CJP-র উপর বিধিনিষেধার খাঁড়া নিয়ে কেন্দ্রের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি আসেনি। তবে একদিন আগে বিষয়টি নিয়ে Indian Express-এ মুখ খোলেন ভারত সরকারের এক আধিকারিক। তিনি জানান, ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর তরফে CJP-র X হ্যান্ডলটি ভারতে ব্লক করতে বলা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রককে। দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সেটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানানো হয়েছিল। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে উস্কানিমূলক পোস্ট আসছিল, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক বলে জানায় IB. বিশেষ করে অল্পবয়সি ছেলেমেয়েদের তরফে যে বিপুল সাড়া নিলছিল, তা নিয়ে দিল্লিতে উদ্বেগ ছড়ায় বলে দাবি করেন ওই আধিকারিক। আর এবার সরাসরি CJP-র ওয়েবসাইটে খাঁড়া নামল বলে জানা যাচ্ছে। ইনস্টাগ্রামে এখনও যে অ্যাকাউন্টটি রয়েছে, তাতে ফলোয়ারের সংখ্যা ২ কোটি ২১ লক্ষ। ভারতের কোনও রাজনৈতিক দল সেই নিরিখে CJP-র ধারেকাছে নেই।
