জেলা 

গোঘাটে খুন তৃণমূল কর্মী!

শেয়ার করুন

হুগলির গোঘাটে খুন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী! মুগুর দিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। শনিবার রাত থেকে নিখোঁজ থাকার পর রবিবার সকালে তৃণমূলের পার্টি অফিসের পিছনে উদ্ধার তৃণমূল নেতার দেহ। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে মুগুরটিও। খুনের অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির দাবি, তারা খুনের রাজনীতি করে না। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফলে এই কাণ্ড।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল নেতার নাম সহদেব বাগ। তিনি গোঘাটের নকুণ্ডার কোটা এলাকার বাসিন্দা। মৃতের স্ত্রী চায়না বাগ কুণ্ডা পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা। পরিবারে অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপির লোকজন সহদেবকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছিল। এই আবহে গতকাল শনিবার রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান সহদেব। এ দিন সকালে স্থানীয় লোকজন তৃণমূলের পার্টি অফিসের পিছনের একটি ড্রেনে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখে।

Advertisement

মৃত তৃণমূল নেতার স্ত্রী চায়না বাগের অভিযোগ, “নির্বাচনে জেতার পর থেকে হুমকি দিচ্ছিল বিজেপির লোকজন। ওরা তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে। শাস্তি চাই।” মৃতের মেয়ে আগমনী বাগ বলেন, “বাবা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দল নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকে বিজেপির লোকজন আমাদের হুমকি দিচ্ছিল। ওরা বাবাকে খুন করেছে।” স্থানীয় তৃণমূল নেতা শশাঙ্ক ধক বলেন, “গতকাল বিকাল নাগাদ সহদেবের সঙ্গে শেষবার দেখা হয়েছিল। তারপর থেকে খোঁজ মিলছিল না শুনেছিলাম। আজ সকালে এক মহিলা আমাদের বলেন ড্রেনে কারও দেহ পড়ে রয়েছে। প্রথমে চেনা যায়নি। পরে বুঝতে পারি সহদেবকে খুন করা হয়েছে। বিজেপির লোকজন এই কাজ করেছে।”

তবে খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী দোলন দাস বলেন, “বিজেপি খুনের রাজনীতি করে না। নিজেরা খুন করে বিজেপির উপর চাপাচ্ছে। নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে আমাদের সভাপতি শমীকবাবুর নির্দেশে এলাকায় যাতে শান্তি থাকে তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যে কয়টি জায়গায় ঝামেলা ছিল আমার মিটিয়ে নিয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করুক। যে বা যারা যুক্ত তাদের শাস্তি দিক।” পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ