উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমিস্টারের পর মাধ্যমিকের নজরকাড়া সাফল্য নজরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত মডেল হাই স্কুলের
বিশেষ প্রতিনিধি : উচ্চ মাধ্যমিকের পর মাধ্যমিকের নজর কাড়া সাফল্য দেখালো মুর্শিদাবাদের ডোমকলের মডেল হাই স্কুল। আইপিএস নজরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলটি ২০০৩ সাল থেকে শুরু হয়। আজ শুক্রবার ৮ই মে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই পরীক্ষায় নবম স্থান দখল করেছেন মডেল হাই স্কুল উচ্চ মাধ্যমিক এর ছাত্রী শাহরিন সুলতানা। সে নার্সারি বিভাগ থেকেই এই প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত ছাত্রী। তার মা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এসমাতারা খাতুনের কন্যা। সে মুর্শিদাবাদের একেবারে প্রত্যন্ত এলাকা ডোমকলের লাইফলাইন নার্সিং হোমের কাছে রমনা এটবার নগরে বাস করে। শাহরিন ৭০০-এর মধ্যে ৬৮৯ নম্বর পেয়েছে।
স্কোরকার্ডের বিবরণ:

বাংলা – ৯৮
ইংরেজি- ৯৫
গণিত- ১০০
ভৌত বিজ্ঞান- ১০০
জীবন বিজ্ঞান- ১০০
ইতিহাস- ৯৮
ভূগোল- ১০০
অন্যদিকে, “সারংপুর হাই মাদ্রাসা”-র শিক্ষক শামসুল আলমের ছেলে তুহিন আক্তার ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ)-এর তৃতীয় সেমিস্টারে বিজ্ঞান বিভাগে ষষ্ঠ (১৯০ জনের মধ্যে ১৮৬ নম্বর) স্থান অধিকার করেছিল। সে ডোমকলের খানম নার্সিং হোমের কাছে রমনা এটবার নগরে বাস করে। শাহরিনের মতো তুহিনও ড. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বসন্তপুর এডুকেশন সোসাইটির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ মডেল স্কুলের নার্সারি বিভাগের ছাত্র ছিল। মডেল স্কুল (এইচএস)-এর প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানের অক্লান্ত প্রচেষ্টাই এই সাফল্য এসেছে বলে জানান অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস ড. নজরুল ইসলাম।
দুই ছাত্রের দ্বৈত সাফল্য, ড. নজরুল ইসলাম সমর্থিত মডেল স্কুলের সকল শিক্ষকদের জন্য গর্বের মুহূর্ত। ২০০৩ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হয়েছিল। আই পিএস ড. নজরুল ইসলামের উদ্যোগ এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকলের রমনা বসন্তপুর গ্রামের ভূমি পুত্র। আনন্দ পুরস্কারের টাকা দিয়ে তৈরি করেছিলেন বসন্তপুর এডুকেশন সোসাইটি। আর সেই সোসাইটির অধীনে 1995 সালে তৈরি হয় ডিগ্রি কলেজ, ২০০১ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ২০০৩ সালে তৈরি হয় মডেল হাই স্কুল যা নার্সারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়ানো হয়। এই হাই স্কুলটি 2025 26 সালের তৃতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় উচ্চমাধ্যমিকে ষষ্ঠ স্থান দখল করে এবং ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় নবম স্থান দখল করেছে। মুশিদাবাদের দমকল এলাকার মতো পিছিয়ে পড়া এলাকায় এই স্কুলটি আলোর দিশা নিয়ে হাজির হয়েছে।

