দেশ 

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ইন্তেকালে গভীর শোক জামায়াত ইসলামী হিন্দের

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আমেরিকা ও ইসরাইল বাহিনীর অতর্কিত আক্রমনে শহীদ হয়েছেন। আন্তর্জাতিক আইনকে অমান্য করে একটি দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে? যেভাবে খুন করেছে আমেরিকা ও ইসরাইলের বাহিনী তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী হিন্দের সর্বভারতীয় সভাপতি সৈয়দ সাদাতুল্লাহ হুসাইনি। তিনি এক শোক বার্তায় বলেছেন,

“আমরা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ইন্তেকালে গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছি। ইরানের জনগণের সঙ্গে আমরা সংহতি প্রকাশ করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের জন্য ধৈর্য ও শক্তি কামনা করছি।

Advertisement

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সমকালীন মুসলিম বিশ্বে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যার নেতৃত্ব তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের রাজনৈতিক ও আদর্শিক গতিপথ নির্ধারণ করেছে। তিনি অবিচলতা, স্বাধীনতা ও বিদেশি আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তাঁর জীবন ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইরানের ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ সমুন্নত রাখার প্রতি গভীর অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

যে পদ্ধতিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। এই হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের উপর নগ্ন আঘাত এবং জাতিসংঘ সনদ ও প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইনে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ এক আগ্রাসী পদক্ষেপ। এ ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে সম্পূর্ণরূপে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই, যেন তারা অবিলম্বে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং এই বিপজ্জনক উত্তেজনার ভয়াবহ পরিণতি মোকাবিলায় এগিয়ে আসে। যারা ইরানের বিরুদ্ধে এই অকারণ হামলার সূচনা করেছে, তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে হাজির করে তাদের কার্যকলাপের জন্য জবাব দিতে বাধ্য করতে হবে।”


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ