দেশ 

শুক্রবারই বদল হচ্ছে মোদির দফতর! ঠিকানা বদলের আগে সাউথ ব্লকে শেষ বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

কলকাতা থেকে ব্রিটিশেরা দেশের রাজধানী দিল্লিতে সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে রাইসিনা হিলসের উপরে তৈরি হয়েছিল নর্থ ব্লক এবং সাউথ ব্লক। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সেই সাউথ ব্লকেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা পিএমও-র কাজ চলে আসছে। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে নতুন তৈরি এগজিকিউটিভ কনক্লেভে। যার নামকরণ হয়েছে ‘সেবা তীর্থ’। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাউথ ব্লকের দফতর খালি করা হবে। তার পরেই শুরু হবে স্থানান্তর প্রক্রিয়া। তবে ঠিকানা বদলের আগে বর্তমান দপ্তরে মন্ত্রিসভার বৈঠকও সারবেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদি সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রকল্পে ১০টি নতুন বহুতল সচিবালয় ভবন তৈরি করে সেখানে সমস্ত মন্ত্রক সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লক থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রকের অধিকাংশ দফতর সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রকল্পে তৈরি কর্তব্য ভবনে সরে গিয়েছে। নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে গেলে সেখানে জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাবে নর্থ ব্লকের পিছনে দারাশুকো রোডে তৈরি প্রথম এগজিকিউটিভ এনক্লেভে। তার পাশে প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন তৈরির কাজও চলছে।

Advertisement

সরকারি সূত্রের খবর, গত ১৪ অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে ঠিকানা বদলের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্যাবিনেট সচিব টিভি সোমনাথ এ ব্যাপারে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ এবং সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার (স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা) প্রধানদের সঙ্গে সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্কস ডেভেলপমেন্ট (সিপিডব্লিউডি) নির্মিত সেবাতীর্থ ২-এ জরুরি বৈঠকও করছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে রাতারাতি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ঠিকানা বদলে গিয়েছিল। রেস কোর্স রোডের পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী বাংলোর রাস্তাটির নাম লোককল্যাণ মার্গ হয়ে যাওয়ার কারণেই তাঁর ঠিকানা বদল হয়েছিল।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ