যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তৎপর কলকাতা পুলিশ!
বাংলার জনরব ডেস্ক : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। কিভাবে ওই ছাত্রের মৃত্যু হল তা খতিয়ে দেখতে যাদবপুর থানা বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। যেহেতু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তাই রাজ্যজুড়ে আন্দোলন সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এটা মাথায় রেখে পুলিশ এবং প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে সিসি টিভি ক্যামেরা নেই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে কলকাতা পুলিশের তিনটি সিসিটিভি রয়েছে সেগুলোকে খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশ।
আপাতত চার নম্বর গেটের সামনের তিনটি সিসি ক্যামেরায় নজর রয়েছে। রাতে কী ঘটেছিল, তা সেখানে ধরা পড়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যে ওই ছাত্রীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারে ফরেন্সিক দল।

অনামিকা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করছিলেন। তাঁর বাড়ি বেলঘরিয়া নিমতা এলাকায়। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও অনুষ্ঠান চলছিল। অনামিকা সেখানে ছিলেন। চার নম্বর গেটের কাছে ইউনিয়ন রুমের পাশ দিয়ে পুকুরপাড় বরাবর একটি সরু রাস্তা আছে। সেখান দিয়ে গেলে শেষ প্রান্তে রয়েছে দু’টি শৌচাগার। অনামিকা সে দিকে গিয়েছিলেন কি না, সেখান থেকে পুকুরে পড়ে গিয়েছেন কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাত ১০টা ২০ নাগাদ পুকুরে তাঁকে ভাসতে দেখেন ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীরা। তার পর উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী কেপিসি হাসপাতালে। সেখানে অনামিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট দিয়ে ঢুকেই বাঁ দিকে কলা বিভাগের বিল্ডিং। সেখানে ইংরেজি বিভাগও রয়েছে। ওই বিল্ডিংয়ের মুখেই রয়েছে একটি সিসি ক্যামেরা। তা চার নম্বর গেটের দিকে তাক করা। এ ছাড়া, সিকিউরিটি রুমের কাছে একটি সিসি ক্যামেরা রয়েছে এবং কলা বিভাগের দিকে রয়েছে আরও একটি সিসি ক্যামেরা। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কী ঘটেছিল, তা এই সমস্ত ক্যামেরায় ধরা পড়ে থাকতে পারে। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

