৫০ ঘণ্টা জেলে থাকলে সরকারি কর্মীরই চাকরি চলে যায়, মন্ত্রীর নয় কেন? ১৩০তম সংবিধান সংশোধনীর পক্ষে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
বাংলার জনরব ডেস্ক : লোকসভায় পেশ হয়েছে ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিল এবার সেই বিলের স্বপক্ষে সওয়াল করতে শুরু করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ বিহারের এক জনসভা থেকে তিনি এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘‘যদি কোনও সরকারি কর্মচারী ৫০ ঘণ্টা জেলে থাকেন, তাঁর চাকরি চলে যায়। তা তিনি গাড়ির চালক হোন, কেরানি হোন কিংবা পিয়ন। কিন্তু মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও জেল থেকে সরকার চালাতে পারেন!’’ অতীতের উদাহরণ দিয়ে মোদী বলেন, ‘‘কিছু দিন আগে আমরা দেখেছি, কী ভাবে জেলে বসে বসে ফাইলে সই করা হচ্ছিল। সরকারের নির্দেশিকা কী ভাবে জেল থেকে জারি করা হচ্ছিল। নেতারাই যদি এমন আচরণ করেন, তবে আমরা কী ভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করব? এনডিএ সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন এনেছে। এই আইনের আওতায় প্রধানমন্ত্রীও আছেন।’’
উল্লেখ্য, দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালকে গ্রেফতার করেছিল ই়ডি। কিন্তু তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তখন ইস্তফা দেননি। জেল থেকেই সরকার পরিচালনা করেছিলেন। মাস ছয়েক পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জামিন পান কেজরী। তার পর তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দায়িত্ব তুলে দেন অতীশীর হাতে। মোদী কারও নাম না করলেও তিনি আম আদমি পার্টির প্রধানকে খোঁচা দিতে চাইলেন বলে মনে করছেন অনেকে।
নতুন বিল নিয়ে বিরোধীরা প্রথম থেকেই সরব। অভিযোগ, এই বিল আইনে পরিণত হলে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন সরকার তা রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাবে। ইডি, সিবিআইয়ের মতো সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা আরও সহজ হবে।

