মায়ানমারে ভূমিকম্পে মৃত ১৬৪৪,আহত ৩৫০০, ভূকম্পনের শক্তি ৩৩৪ টি পরমাণু বোমার সমান!
বাংলার জনরব ডেস্ক : প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার ভূমিকম্পে কার্যত ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে। এখনো পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৪৪ যদিও এখনো অনেক এলাকায় উদ্ধার কাজ শেষ হয়নি। এখনো পর্যন্ত আহত এর সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার। জানা গেছে ভূমিকম্পের ফলে অর্থাৎ ভূকম্পনের ফলে যে শক্তির উৎপন্ন হয়েছিল তা 334 টি পরমাণু বোমার সমান। এই দাবি করেছেন মার্কিন ভূ বিজ্ঞানীরা।
শুক্রবার সকালে কেঁপে ওঠে মায়ানমার। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৭। উৎপত্তিস্থল সে দেশের সাগাইং শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। সেই সময় কম্পন অনুভূত হয় বাংলাদেশের ঢাকা-সহ একাধিক জায়গায়। এর প্রভাব পড়ে ভারতেও। কেঁপে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলা ও সিকিমও। এছাড়া ভূমিকম্পের ব্যাপক প্রভাব পড়ে মায়ানমারের প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও। ভেঙে পড়ে একের পর এক বহুতল, ব্রিজ। কয়েক মিনিটের মধ্যে ফের কম্পন অনুভূত হয়। সেই ‘আফটারশকে’র মাত্রা ছিল ৬.৭। এরপরও চলতে থাকে লাগাতার আফটারশক। ভূবিজ্ঞানী জেস ফিনিক্স মায়ানমারকে সতর্ক করে জানিয়েছেন, ভূপৃষ্ঠের নিচে ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে ভারতীয় প্লেটের সংঘর্ষ যেহেতু অব্যাহত রয়েছে, তাই আগামী কয়েক মাস ধরেই ‘আফটারশক’ চলতেই থাকবে।

ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত মায়ানমারের পাশে দাঁড়াতে ‘অপরেশন ব্রহ্ম’ ঘোষণা করেছে ভারত। ইতিমধ্যে বায়ুসেনার বিমানে ১৫ টন ত্রাণ পাঠানো হয়েছে সেদেশে। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে তাঁবু, কম্বল, স্লিপিং ব্যাগ, খাবারের প্যাকেট, হাইজিন কিটে, জেনারেটর এবং জরুরি কিছু ওষুধ। ইতিমধ্যে মায়ানমারের ইয়াংগানে পৌঁছে গিয়েছে ওই ত্রাণ সামগ্রী। মায়ানমারের প্রতি ভারতের বন্ধুত্বের হার বাড়ানোর কথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি বলেন, “ভারত প্রথম ধাপের মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছে মায়ানমারে।”

