দেশ 

একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েও পালন করেনি মোদি সরকার, কাশ্মীরের সঙ্গে ছিলাম, ভালো ছিলাম মোদি সরকারের গঠিত কমিটি থেকে পদত্যাগ করে জানালেন লাদাখের নেতারা, চরম অস্বস্তিতে কেন্দ্র

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীর ভেঙে তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করেছিল মোদি সরকার। কয়েক বছর যেতে না যেতেই মোহভঙ্গ হল লাদাখের অধিবাসীদের। কেন্দ্র সরকার কর্তৃক গঠিত লাদাখের বিশেষ কমিটি থেকে সরে দাঁড়ালেন ওই এলাকার নেতৃবৃন্দ। তাদের দাবি কাশ্মীরের সঙ্গে ছিলাম ভালো ছিলাম।

তাঁদের অভিযোগ, একাধিক প্রতিশ্রতি দিয়েও তা পূরণ করেনি মোদি সরকার। তাই সাফ বার্তা দিয়ে লাদাখের (Ladakh) নেতাদের বক্তব্য, যতদিন পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যের স্বীকৃতি পাচ্ছে না লাদাখ,ততদিন কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন না তাঁরা। লাদাখ সীমান্তে ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠছে চিন। এহেন পরিস্থিতিতে লাদাখ নেতাদের আচরণে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে কেন্দ্র সরকার ।

কয়েকদিন আগেই লাদাখের সমস্যা সমাধান করতে একটি কমিটি গঠন করে কেন্দ্র সরকার। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নেতৃত্বে এই কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছিল লাদাখের প্রতিবাদী নেতাদের। কিন্তু লাদাখের স্বশাসিত পরিষদ ও কারগিল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্সের তরফে যৌথ ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, এই কমিটির বৈঠকে থাকবেন না তাঁরা। কেন্দ্রের কোনও উদ্যোগেই তাঁরা শামিল হবেন না। প্রসঙ্গত, এই কমিটিতে রয়েছেন লাদাখের উপরাজ্যপাল, সাংসদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।

লাদাখ বুদ্ধিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেরিং দোরজায় সাফ জানিয়েছেন, “এখন যা পরিস্থিতি দেখছি, তাতে মনে হয় কাশ্মীরের অংশ হয়ে থাকলেই আমাদের ভাল ছিল। আসলে আমাদের বোকা বানাচ্ছে কেন্দ্র। বুঝতে পেরেছি, আমাদের অঙ্গরাজ্যের স্বীকৃতি দিতে চাইছে না মোদি সরকার। সংবিধানের ষষ্ঠ তপশিলের স্বীকৃতিও দেওয়া হচ্ছে না লাদাখকে।”

২০১৯ সালে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দু’বছরের মধ্যেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে লেহের নেতৃবৃন্দ। তাঁদের সঙ্গে একমত হয়েছেন কারগিলের নেতারাও। কারগিল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্সের নেতা সাজাদ হুসেন বলেছেন, “গিলিগিট ও বালুচিস্তানের প্রতি পাকিস্তান যেমন আচরণ করে, আমাদের সঙ্গে সেরকম আচরণ করলে মেনে নেওয়া হবে না।”

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ