ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতি রক্ষার্থে তৎপর কংগ্রেস, ছত্রিশগড়ে তৈরি হবে ‘অমর জওয়ান জ্যোতি’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন রাহুল গান্ধী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল
বাংলার জনরব ডেস্ক: ৫০ বছর পর অমর জওয়ান জ্যোতি দিল্লির ইন্ডিয়া গেট থেকে সরিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার। এর ফলে ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতি বিজড়িত এই ঐতিহাসিক স্মারক রাজধানী শহর থেকে সরে গেল। একটা ইতিহাসের বিলুপ্তি ঘটলো বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভারতীয় সেনারা হটিয়ে দিয়েছিল সেই স্মৃতির উদ্দেশ্যে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে অমর জওয়ান জ্যোতি স্থাপন করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ৫০ বছর পর তা সরিয়ে দিলো মোদি সরকার। এরই প্রতিবাদে কংগ্রেস শাসিত ছত্রিশগড়ের স্থাপিত হবে অমর জওয়ান জ্যোতি। আগামী তেসরা ফেব্রুয়ারি ছত্রিশগড়ের এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। একথা জানিয়েছেন ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল (Bhupesh Baghel)।
গত ২১ জানুয়ারি ইন্ডিয়া গেটের (India Gate) অমর জওয়ান জ্যোতির অগ্নিশিখা সরিয়ে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে (National War Memorial) সরিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভে ৫০ বছর ধরে যে অগ্নিশিখা জ্বলছিল তা নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকার অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ায় সরব হয়েছিল কংগ্রেস (Congress) ও বিরোধীরা। দুঃখ প্রকাশ করে ও প্রতিবাদ জানিয়ে রাহুল গান্ধী জানিয়েছিলেন, আবার জ্বলবে অমর জওয়ান জ্যোতির শিখা। আবার তৈরি হবে অমর জওয়ান জ্যোতি। এরপরই এদিন ছত্তিশগড়ে শহিদদের সেই স্মৃতিসৌধ পুনরায় গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করলেন বাঘেল।

বিজেপি-আরএসএসকে কটাক্ষ করে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী টুইটারে লিখেছেন, “শহিদদের ঐতিহাসিক গল্প প্রতিটি প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা। যারা দেশের জন্য লড়াই করেনি, তারা এর মর্যাদা বুঝবে না। রাহুল গান্ধীজি আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি ছত্তিশগড়ে ‘অমর জওয়ান জ্যোতি’র শিলান্যাস করবেন। ভারতমাতার পুত্রদের এভাবেই সঠিক উপায়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, ইঙ্গিতবাহী ভাবে অমর জাওয়ান জ্যোতির ছবি দিয়ে টুইটারে দেশবাসীকে ৭৩ তম সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এইসঙ্গে রাহুল টুইট করেন, “১৯৫০ সালে সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারত দেশ হিসেবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যে পদক্ষেপ করেছিল। সত্য ও বৈষম্যহীনতার সেই পদক্ষেপকে কুর্নিশ। সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা। জয় হিন্দ।”

