জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে মিছিল করার পরেই কোচবিহারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সিপিএমের পার্টি অফিস
বিরাটি, দত্তপুকুরের পর এবার কোচবিহারের মাথাভাঙা। রাতের অন্ধকারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল সিপিএমের পার্টি অফিস। কেবল আসবাবপত্রই নয়, কার্যালয়ের দরজা, দেওয়ালও ভেঙে ফেলা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে কোচবিহারের মাথাভাঙায় প্রতিবাদ মিছিল করেছিল সিপিএম। সেই মিছিলের কয়েক ঘণ্টা পরেই গতকাল, শনিবার গভীর রাতে এই হামলা চলে। বিজেপি এই হামলা চালিয়েছে বলে সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের জোড়পাটকির গোলকগঞ্জ বাজার এলাকায় গতকাল রাতে সিপিএমের পক্ষ থেকে মিছিল বার করা হয়েছিল। বৈধ ভোটারদের অবিলম্বে ভোটার তালিকায় নাম তোলা, অন্নপূর্ণা যোজনায় এখনও অন্তর্ভুক্ত না হওয়া ব্যক্তিদের নাম তালিকাভুক্ত করে অর্থ দেওয়া, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ-সহ একাধিক দাবিও ওই প্রতিবাদ মিছিলে করা হয়েছিল। এরপর গভীর রাতে ওই এলাকারই সিপিএমের দীর্ঘদিনের কার্যালয়ে দেদারে ভাঙচুর চলল।
অভিযোগ, হামলাকারীরা দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে অবাধে ভাঙচুর চালায়। ভিতরের আসবাবপত্র ভাঙা হয়। নষ্ট করা হয় ছবি, নথিপত্র। শুধু তাই নয়, পার্টি অফিসের ইটের দেওয়ালও ভেঙে ফেলা হয়েছে! ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাপা আতঙ্ক ছড়ায়। সিপিএম নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। সিপিআইএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মোকসেদুল ইসলামের অভিযোগ বিজেপি কর্মীরা ওই দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করেছে। সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি। মানুষ সিপিএমের পাশে রয়েছে। যদিও বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য রাজীব সরকার জানান, মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। বিজেপি এই দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের সঙ্গে যুক্ত নয়।
সৌজন্যে ডিজিটাল সংবাদ প্রতিদিন।

