মমতা কংগ্রেসের যোগ দিচ্ছেন! দেশের সব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি মিটিংয়ে বসছেন এআইসির সভাপতি
বিশেষ প্রতিনিধি : আগামীকাল ১১ জুন বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় কংগ্রেসের সদর দফতর ইন্দিরা ভবনে দেশের সব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন আইসিসির প্রেসিডেন্ট মল্লিকাঅর্জুন খার্গে। এই বৈঠকে রাহুল গান্ধীর উপস্থিত থাকার কথা। সূত্র মারফত খবর পাওয়া যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন। কংগ্রেস দলকে সামগ্রিকভাবে সাংগঠনিকভাবে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে এই বৈঠক হচ্ছে বলে জানা গেছে।
দেশের সব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিরা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। অনেক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ চলে যেতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসকে কংগ্রেসের সঙ্গে বিলীন করে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা নিয়েও এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।
দেশের সব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিদের মতামত নেওয়ার পর তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কংগ্রেস এ নেওয়া হবে কিনা সেটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। তবে কথা ঠিক সোনিয়া রাহুল প্রিয়াঙ্কার পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিদের এই বৈঠক আনুষ্ঠানিকতা বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কংগ্রেসে যে স্বাগত জানানো হবে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে তিনি কোন কংগ্রেস দলে তিনি কোন পদ পাবেন সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।
সূত্রের খবর জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রস্তাব রাখা হয়েছে তাকে জাতীয় কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পদ দেওয়া হতে পারে। কিন্তু এতে নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খানিকটা অসন্তুষ্ট তিনি পশ্চিমবাংলা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদটা পেতে চাইছেন। তবে এখনই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বসাতে চাইছে না এআইসিসি। এখন দেখার বিষয় আগামীকালের বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবে তৃণমূল কংগ্রেসকে কংগ্রেসদের সঙ্গে বিলীন করে দেন।
তবে এই কথা স্বীকার করতেই হবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই কাজটি করতে পারবেন ততই কিন্তু তার পক্ষে মঙ্গল। ইতিমধ্যেই বিধানসভার পরিষদীয় দল ভেঙে গেছে, দিল্লির লোকসভার সংসদীয় দল যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলে আম ও ছালা দুটোই হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখার বিষয় কবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে নিজের দলকে মিশিয়ে দেন।

