দুর্নীতির মূলমাথা পার্থ চট্টোপাধ্যায়! নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জেরা করতে চায় সিবিআই আদালতে বলল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা এজেন্সি
বিশেষ প্রতিনিধি : নিয়োগ মামলার দুর্নীতির মূলচক্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলে আজ বৃহস্পতিবার সিবিআই আদালতে দাবি করেছে। একইসঙ্গে আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছে এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে জেরা করার।
এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, পার্থর নির্দেশেই নাকি নষ্ট করা হয়েছিল ওএমআর শিট। ঘটনার সঙ্গে অনেক রাজনৈতিক প্রভাবশালীর নাম রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতেই সিবিআইয়ের দাবি, পার্থ জামিন পেলে তদন্ত বিঘ্নিত হবে।
২০২২ সালের জুলাই মাস থেকে বন্দি প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে ইডি, পরবর্তীতে সিবিআইও গ্রেফতার করে তাঁকে। বন্দিদশায় বহুবার আর্জি জানালেও গত ডিসেম্বরে অবশেষে ইডির মামলায় মেলে জামিন। তবে এখনও সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পাননি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আজ, বৃহস্পতিবার ছিল পার্থর জামিন মামলার শুনানি। সেখানেই জামিনের বিরোধিতা করে সিবিআই। দাবি করা হয়, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থের নেতৃত্বেই দুর্নীতি হয়েছে। উনিই মূলমাথা ছিলেন। পার্থের নির্দেশেই নষ্ট করা হয়েছিল ওএমআর শিট।
এখানেই শেয নয়। এদিন আদালতে সিবিআই জানায়, বিকাশ ভবনের ওয়্যারহাউস থেকে পাওয়া ৩২১ জনের প্রার্থী নামের তালিকা মানিক ভট্টাচার্য এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে বিনিময় হয়েছিল, তাতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা সেই সকল ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। তদন্তকারীদের বক্তব্য, গোটা দুর্নীতি পার্থর তত্ত্বাবধানে হয়েছিল। এখন জামিন দিলে তদন্ত ব্যহত হবে। যদিও এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে দাবী করেন এই মামলার সঙ্গে ১১ জন গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার মধ্যে আটজনই জামিন পেয়ে গেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ, বয়স ৭৩ বছর। এই মুহূর্তে তাঁর জামিনটা জরুরী।