কলকাতা 

নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সহযোগিতা না করলে পর্ষদ সভাপতিকেও হেফাজতে নিতে পারবে সিবিআই নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের,আদালতের নির্দেশ মেনে সিবিআই দফতরে গৌতম

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে ছটা বাজতে ৭ মিনিট আগে সিবিআই এর নিজাম প্যালেসের দফতরে হাজির হলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক গৌতম পাল। তিনি এখন সিবিআই দফতরে আছেন তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য,ও এম আর সিট ডিজিটাল কপি না দিয়ে প্রিন্ট করা কপি দেওয়ার জন্য প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক গৌতম পালকে এবং ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকার কে জিজ্ঞাসাবাদে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই দুই কর্মকর্তাকে আজ বুধবার সন্ধ্যে ছটার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বুধবার হাই কোর্টে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। ২০১৪ সালের টেট দুর্নীতি সংক্রান্ত ওই রিপোর্ট দেখার পরেই ওই নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘এই রিপোর্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’ তদন্তে সহযোগিতা না করলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের স্বাধীনতাও সিবিআইকে দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

১৮ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকের অনেক মামলা এই আদালতে শুনানি হয়েছে। পর্ষদের বর্তমান সভাপতি-সহ অন্য আধিকারিকরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকে ‘ডিজিটাইজড কপি’ বলে দাবি করেছেন। তাই আদালত মনে করছে, পর্ষদ সভাপতি এবং সেক্রেটারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এমনকি, সিবিআই মনে করলে পর্ষদের যে কোনও আধিকারিককে প্রয়োজনে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র বা ওএমআরশিট দেখে নম্বর দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’ নামের এক সংস্থাকে। সেই সংস্থার কর্তা কৌশিক মাজিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এর পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে টেট পরীক্ষার খাতা সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল।

জানা গেছে বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যবেক্ষণে বলেছেন ও এম আর সিটের ডিজিটাল কপি মানে হচ্ছে আসল ওএমআর সিটের স্ক্যান কপি। কিন্তু এক্ষেত্রে সিবিআইয়ের কাছে দেওয়া হয়েছে প্রিন্ট করা কপি যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর পরেই পর্ষদের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি সেক্রেটারিকে নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার নির্দেশ জারি করেন।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ