চেন্নাইগামী করমন্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত মৃত ৫০, আহত ৫০০, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে, মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার নেতৃত্বে টিম যাচ্ছে বালেশ্বরে
বাংলার জনরব ডেস্ক : চেন্নাইগামী করমন্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে আহত সংখ্যা জানা গেছে পাঁচশোর বেশি। আজ শুক্রবার তিনটে পনেরো নাগাদ হাওড়ার শালিমার থেকে ১২৮৪১ নম্বরের আপ করমন্ডল এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যে ছটা নাগাদ বালেশ্বর এর কাছে এক মাল গাড়িকে ধাক্কা মারে করমন্ডল এক্সপ্রেস এর ফলে লাইনচ্যুত হয়ে যায় প্রথমের দিকে থাকা পাঁচটি বগি ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় বলে জানা গেছে আর এতেই এখনো পর্যন্ত 50 জন যাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধার কাজ জোর কদমে চলছে তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে রেল কর্তৃপক্ষ মনে করছে।
অন্যদিকে, আহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে বলে সূত্রের খবর। আহতদের মধ্যে গুরুতর জখম রয়েছেন অনেকে। তাঁদের আশেপাশের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ওড়িশার বালেশ্বরের আগে বহনঙ্গা রেল স্টেশনের কাছে একটি মালগাড়িতে পিছনে গিয়ে ট্রেনটি ধাক্কা মারে শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস। সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ ঘটে। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কয়েকটি কামরা বেলাইন হয়ে গিয়েছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। উদ্ধারে নামানো হয়েছে NDRF কেও।
অন্যদিকে ঘটনার পর রেলের পক্ষ থেকে হেল্প লাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য ও আহতদের খোঁজ নিতে রেলের দেওয়া হেল্প লাইন নম্বরগুলি হল- হাওড়া ডিভিশনের জন্যে – 033-26382217 । খড়গপুর ডিভিশনের জন্যে – 8972073925 // 9332392339 বালেশ্বর হেল্পলাইন – 8249591559/ 7978418322 শালিমার হেল্পলাইন – 9903370746।
করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, “আমাকে জানিয়েছে ব্যবস্থা নিতে। অনেক যাত্রী আমাদের পশ্চিম বঙ্গের আছেন। ০৩৩২২১৪৩৫২৬, ২২৫৩৫১৮৫ এই কন্ট্রোল রুম গুলো চালু করা হয়েছে। ওড়িশার কন্ট্রোল রুম এর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছে। আমরা এখনও সম্পূর্ণ তথ্য হাতে পাইনি। দক্ষিণ পূর্ব রেলের জিএম-র কাছে সব ইনফো নেই। যাঁরা ট্রেন এ যাতায়াত করছিলেন, তাঁদের কোনও তথ্যের দরকার থাকলে এই নম্বর পাবেন। অনেক লোক আহত হয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “মানস ভুঁইয়া এর নেতৃত্বে একটা টিম যাচ্ছে। বালাশোরের ডিএম কিছু অ্যাম্বুলেন্স চেয়েছে। আমরা সেই গুলো পাঠাচ্ছি। পশ্চিম মেদিনীপুর এর সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতাগুলিকে তৈরি থাকতে বলেছি। ওড়িশা সরকারকে জানিয়েছি। যদি কিছু প্রয়োজন দরকার হয় আমরা করে দেব। আমরা সব রকমের সাহায্য দিতে প্রস্তুত।”

