কলকাতা 

মনসুর হাবিবুল্লাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে বিজ্ঞান প্রদর্শনীকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের উৎসাহ তুঙ্গে

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : বিশিষ্ট জননেতা প্রয়াত সৈয়দ মনসুর হবিবুল্লাহর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় কলকাতার কুদঘাট অঞ্চলে অবস্থিত। প্রায় ৪৩ বছর ধরে এই বিদ্যালয়টি দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছে। যে প্রতিষ্ঠানটি সৈয়দ মনসুর হাবিবুল্লাহ স্থাপন করেছিলেন পরবর্তীকালে সেই প্রতিষ্ঠানটি মনসুর হবিবুল্লাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুল নামে পরিচিতি লাভ করে। তার সুযোগ্য জামাতা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রয়াত নূরে আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি আরো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করে।

এর ফলে এই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। আর প্রায়ত জননেতা মনসুর হাবিবুল্লাহ ছেলে-মেয়েদের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা এবং ইতিহাস চেতনাকে জাগ্রত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর বিজ্ঞান ও ইতিহাস প্রদর্শনের আয়োজন করতেন। সময়ের বিচারে প্রায় ৪০ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। পরম্পরা বজায় রেখে চলেছিলেন প্রয়াত বিচারপতি নূরে আলম চৌধুরীও।

Advertisement

সেই পরম্পরা বজায় রেখেই নুর আলম চৌধুরীর মৃত্যুর পর দু বছর অতিমারির কারণে বিজ্ঞান প্রদর্শীর প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারেননি বলে বিদ্যালয় এর উত্তরাধিকারী নুর আলম চৌধুরীর কন্যা এবং মনসুর হবিবল্লার নাতনি শাবানা চৌধুরী জানালেন। বিচারপতির মৃত্যুর পর এই বছর প্রথম বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিজ্ঞান প্রদর্শনী ইতিহাস প্রদর্শনী ভূগোলের বিভিন্ন প্রদর্শনী শহর অন্যান্য নানা বিষয় নিয়ে প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।

এই প্রসঙ্গে অবশ্য বর্তমান সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান তথা মনসুর হাবিবুল্লাহর একমাত্র কন্যা ডা মমতাজ সংহমিতা সংঘমিতা বলেন, আমরা ৪০ বছর ধরে এই ধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন করছি যাতে ছেলেমেয়েদের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা এবং ইতিহাস চেতনা বৃদ্ধি পায়। তিনি আরো বলেন, এই প্রদর্শনী এখন বৃহৎ আকারে করা হচ্ছে কলকাতার বিশিষ্ট জনরা এই প্রদর্শনীতে যোগদান করেন এবং আমাদের স্কুলের ছেলে মেয়েরা কিভাবে মডেল তৈরি করছে বিজ্ঞান ইতিহাস চেতন কাজের মধ্যে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই প্রদর্শনী থেকে স্পষ্ট হয়।

মমতাজ সংঘমিতা আরো দাবী করেন যে, আমরা সমাজের স্বার্থে মানুষের জন্য এবং কোয়ালিটি শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে এই বিদ্যালয়টি কাজ করে চলেছেন মনসুর হাবিবুল্লাহ সাহেব শিক্ষার প্রসারের জন্য যে চিন্তা ভাবনা করেছিলেন তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করেছি আমার স্বামী প্রায়ত বিচারপতি নূরে আলম চৌধুরীও শিক্ষার প্রসারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন শুধু কলকাতায় নয় আমাদের গ্রাম রামপুরহাট এলাকাতেও আমরা শিক্ষার বিস্তারে কাজ করে চলেছি। আজকের এই শৃঙ্খলা পরায়ণভাবে যে অনুষ্ঠানটি হয়েছে তার নেপথ্যে তিনি নিজ কন্যা শাবানা চৌধুরী, জামাতা ইমরান এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী শিক্ষিকা বৃন্দ সহ অশিক্ষক কর্মচারী এবং সংস্থার সমস্ত কর্মচারীদের তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

সবশেষে ছিল মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান একইসঙ্গে সমস্ত অতিথিদের দুপুরের আহারের ব্যবস্থাও করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সুশৃংখল ভাবে সমস্ত অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় অতিথি গণ মুগ্ধ হন। এই অনুষ্ঠানে বিচারপতি থেকে শুরু করে আইনজীবী শিক্ষক সাংবাদিক অধ্যাপক অধ্যাপিকা সহ চিকিৎসক মহলের একটি বড় অংশ যোগ দিয়েছিলেন।

 

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ